The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...
হায়দরাবাদে দর্শক মাতালেন মেসি

হায়দরাবাদে দর্শক মাতালেন মেসি


 হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতেই দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন লিওনেল মেসি। বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে একের পর এক বল গ্যালারিতে পাঠিয়ে উল্লাসে মাতান আর্জেন্টাইন তারকা। দর্শকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি।

‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে ইন্টার মায়ামির সতীর্থ লুইস সুয়ারেস ও রদ্রিগো দে পলকে নিয়ে স্টেডিয়ামে পৌঁছান মেসি। সে সময় সেখানে চলছিল একটি প্রদর্শনী ম্যাচ, যেখানে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডিও কিছুক্ষণ খেলেন। ভিআইপি বক্স থেকে খেলা দেখেন মেসি-সুয়ারেসরা।

পরে মাঠে নেমে দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করেন মেসি, দেন অটোগ্রাফ এবং সবার সঙ্গে ছবি তোলেন। রেভান্ত রেড্ডি, দে পল ও সুয়ারেসের সঙ্গে বল আদান-প্রদান করেন তিনি। দুবার বল জালেও পাঠান মেসি। খুদে ফুটবলারদের সঙ্গেও সময় কাটান এই তারকা।

দে পল ও মেসি দুজনই গ্যালারিতে বল পাঠান। ম্যাচ শেষে জয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন মেসি। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, 'এখানে আসার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। হায়দরাবাদে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।'

এ সময় দে পল বলেন, 'এটি বিশেষ এক সন্ধ্যা। আপনাদের ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি, আমরা আবার বিশ্বকাপ জিততে পারব।'

পরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডি ও রাহুল গান্ধীকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ১০ নম্বর জার্সি উপহার দেন মেসি। এরপর স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার।

এর আগে কলকাতার সল্ট লেক স্টেডিয়ামে মেসির উপস্থিতি ঘিরে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, মাত্র ২০ মিনিট স্টেডিয়ামে ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক নেতা ও অভিনেতাদের ভিড়ে অনেক দর্শক মেসিকে দেখতে না পাওয়ায় তার চলে যাওয়ার পর ভাঙচুর শুরু হয়। ঘটনায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও খবর প্রকাশিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দুঃখ প্রকাশ করে তদন্তের ঘোষণা দেন। উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে বিমানবন্দর থেকে আটক করে পুলিশ।

কলকাতা ও হায়দরাবাদের পর মুম্বাই হয়ে দিল্লি সফরের মধ্য দিয়ে মেসির ভারত সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র :বিডি-প্রতিদিন

“বাংলাদেশ-মঙ্গোলিয়ার মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত”

“বাংলাদেশ-মঙ্গোলিয়ার মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত”


 বাংলাদেশ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। মঙ্গোলিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মঙ্গোলিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত গ্যানবোল্ট তামবাযাও। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, ‘আমাদের উচিত এই কূটনৈতিক সদিচ্ছাকে ব্যবসা-বাণিজ্যিক যোগাযোগে রূপান্তর করা যেন আমাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়।’
 
মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের অনুকূলে ভিসা অব্যাহতি চুক্তির পাশাপাশি সর্বসাধারণের জন্যও ভিসা অব্যাহতি চুক্তি করা যেতে পারে।
 
মঙ্গোলিয়ার প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মঙ্গোলিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত গ্যানবোল্ট তামবাযাও ও মঙ্গোলিয়ায় বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুল জেনারেল নাসরিন ফাতেমা আউয়াল। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়সল আহমেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত উইং) মোহাম্মদ নুরে আলম প্রমুখ।

বাংলাদেশ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্যে পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তিতে মোট ১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। এটি স্বাক্ষর হওয়ার ফলে উভয় দেশের কূটনৈতিক এবং অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী নাগরিক অপর পক্ষের ভূখণ্ডে প্রবেশ, বহির্গমন ও ট্রানজিটের ক্ষেত্রে অনধিক ৩০ দিনের জন্য ভিসা ছাড়াই অবস্থান করতে পারবেন। এ চুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য বলবৎ থাকবে। চুক্তিবদ্ধ যে কোনো পক্ষ ৯০ দিনের লিখিত নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে এ চুক্তির অবসান ঘটাতে পারবে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ক অধিকতর ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সম্পাদন করা হয়। এ পর্যন্ত ৩৪ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই হয়েছে।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন