The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...
পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন ৫০ বছরে অর্ধেকে নেমেছে

পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন ৫০ বছরে অর্ধেকে নেমেছে


 বিশ্বজুড়ে পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের গড় মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে কমছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত ৫০ বছরে টেস্টোস্টেরনের গড় মাত্রা কমেছে অর্ধেকের বেশি। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, মানবসমাজ এখন পুরুষদের প্রজননক্ষমতার ব্যাপক সংকটের মুখে।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বার্ষিক সভায় বসেছিলেন ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব হিউম্যান রিপ্রোডাকশন অ্যান্ড এমব্রায়োলজির সদস্যরা। সেখানেই গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। এতে দেখা গেছে, ১৯৭২ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে পুরুষদের গড় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমেছে ৫৪ শতাংশ।

টেস্টোস্টেরন হরমোন পুরুষের বয়ঃসন্ধি, পেশি গঠন, শুক্রাণু উৎপাদন ও যৌন আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওজন ও ডায়াবেটিস প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন গবেষকেরা। এর সঙ্গে পরিবেশগত কিছু বিষয়ের প্রভাব রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যে থাকা এন্ডোক্রাইনের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিও টেস্টোস্টেরন হরমোন কমার বড় কারণ হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে পুরুষদের প্রজননস্বাস্থ্য বড় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন ইসরায়েলের হিব্রু ইউনিভার্সিটি-হাডাসা ব্রাউন স্কুল অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড কমিউনিটি মেডিসিনের অধ্যাপক হাগাই লেভিন। তাঁর মতে, পুরুষদের প্রজননস্বাস্থ্যের জন্য বিষয়টি যতটা আশঙ্কার, ততটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

হাগাই লেভিন বলেন, ‘৫০ বছরে পুরুষদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ৫০ শতাংশের বেশি কমে যেতে আমরা দেখেছি। এর অর্থ প্রতিবছর গড়ে ১ শতাংশের বেশি হারে টেস্টোস্টেরন কমেছে। এটি আকস্মিক ঘটনা নয়, কোনো পরিসংখ্যানগত ভুলও নয়।’পুরুষের প্রজননক্ষমতা আসলেই কমছে কি না এবং কমলেও কেন কমছে, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। এ পটভূমিতে পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

একই গবেষক দল এর আগে পুরুষদের শুক্রাণু নিয়ে গবেষণা করেছিল। তাতে দেখা গিয়েছিল, গত ৪০ বছরে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। সে তথ্যও বেশ আলোড়ন তৈরি করেছিল।

তবে এসব দাবি বিজ্ঞানী মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ও রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চান্না জয়সেনা গার্ডিয়ানকে বলেন, পুরুষের টেস্টোস্টেরন নিয়ে সর্বশেষ এসব পর্যবেক্ষণকে ‘বাস্তবতার নিরিখে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা’ হিসেবেই দেখা উচিত।

চান্না জয়সেনা বলেন, ‘ইতিহাসের ভিন্ন ভিন্ন সময়কাল ধরে এসব গবেষণা চালানো হয়েছে। এ বিষয়টিই আমাকে গবেষণায় পাওয়া ফলাফলের ব্যাপারে সত্যিই আশ্বস্ত করেছে। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পুরুষদের প্রজননস্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রবণতা আরও বেড়েই চলেছে।’

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

 


রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামি গৃহকর্মী আয়েশার স্বামী রাব্বি শিকদার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

এর আগে, ১০ ডিসেম্বর সকালে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চরকয়া গ্রাম থেকে গৃহকর্মী আয়েশা ও তার স্বামী রাব্বি সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ১১ ডিসেম্বর আয়েশার ছয় দিন ও রাব্বির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৫ ডিসেম্বর আসামি আয়েশা বাদী আজিজুল ইসলামের বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ৮ ডিসেম্বর সকাল অনুমান ৭টার সময় তিনি নিজের কর্মস্থল উত্তরায় চলে যান। কর্মস্থল থেকে তিনি স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে তিনি নিরুপায় হয়ে সকাল অনুমান ১১টার সময় বাসায় ফেরত আসেন। এসে দেখেন, তার স্ত্রীর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে এবং তার মেয়ের গলার ডান দিকে কাটা।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেইন গেটের দিকে পড়ে আছে। তখন মেয়ের ওই অবস্থা দেখে তাকে উদ্ধার করে পরিছন্নতাকর্মী মো. আশিকের মাধ্যমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাদী আজিজুল বাসার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখতে পান, আসামি গৃহকর্মী আয়েশা সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে কাজ করার জন্য বাসায় আসেন এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের সময় তার মেয়ের একটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যান।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বাদী নিশ্চিত হন যে, অজ্ঞাত কারণে সকাল ৭টা ৫১ থেকে ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময় তার স্ত্রী ও মেয়েকে ছুরি অথবা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা করা হয়েছে।

 সূত্র : বিডি প্রতিদিন

গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি

গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি

 


রাজধানীর মতিঝিল থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। শুক্রবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে থানার বিজয়নগর কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশাযোগে যাওয়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এসময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।

জানা গেছে, দুর্বৃত্তদের গুলি হাদির বাম কানের নিচে বিদ্ধ হয়। পরে তার সাথে থাকা সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দুপুর ২টা ৪০ মিনিট নাগাদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক। তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারের (ওসেক) আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাদির অবস্থা নিয়ে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. মোশতাক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা খুবই গুরুতর। তার মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে, তিনি এখন কোমায় আছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন,‌ আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমাদের টিম পাঠিয়েছি। তারা কনফার্ম করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবো। 

সূত্র : বিডি প্রতিদিন

আনঅফিশিয়াল ফোন নিবন্ধনে মার্চ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সুবিধা বহাল

আনঅফিশিয়াল ফোন নিবন্ধনে মার্চ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সুবিধা বহাল


 দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এ অবস্থায় মজুদ ও পাইপলাইনে থাকা আনঅফিশিয়াল মোবাইল ফোন বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে হ্যান্ডসেট উৎপাদক, বিটিআরসি ও মোবাইল ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈঠক হয়। 
 
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আনঅফিশিয়াল ফোন বিক্রির জন্য আরও ৩ মাস অর্থাৎ বিক্রেতারা মার্চ মাস পর্যন্ত সময় পাবেন।

অর্থাৎ মার্চ পর্যন্ত আনঅফিশিয়াল ফোন কিনলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা নিবন্ধিত হবে। মার্চ মাসের পর থেকে আনঅফিশিয়াল ফোন বিক্রির আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. আসলাম।

মুঠোফোনে তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সরকার আরও ৩ মাস সময় দিয়েছে। অর্থাৎ মার্চ পর্যন্ত আনঅফিশিয়াল ফোন কিনলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা নিবন্ধিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সরকার এ বিষয়ে ঘোষণা দেবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে এনইআইআর সিস্টেম সংস্কারের দাবিতে কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের আন্দোলন বিষয়ে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে আলোচনা করে আন্দোলন প্রত্যহারের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন

“রাসায়নিক নয়—প্রাকৃতিক যত্নে ত্বক উজ্জ্বল করুন”

“রাসায়নিক নয়—প্রাকৃতিক যত্নে ত্বক উজ্জ্বল করুন”

 


প্রাকৃতিক ত্বক পরিষ্কার করার উপায়: কাঁচা দুধ ময়লা টানে, ত্বক কোমল করে। দুধ তুলোয় ভিজিয়ে হালকা করে মুখ মুছে নিয়ে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে নেওয়া যেতে পারে। বেসন ও গোলাপজল একত্রে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমায় এবং মুখ পরিষ্কার করে। এটি সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

মৃত কোষ দূর উপায়: স্ক্রাবিংয়ের মাধ্যমে মৃত কোষ দূর করা সম্ভব। সপ্তাহে ১-২ দিন চিনি ও মধু একসাথে মিশিয়ে খুব আলতো করে ৩০-৪০ সেকেন্ড ঘষে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল ও নরম হয়। সেনসিটিভ স্কিন হলে ওটসের সাথে টক দই মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ত্বক উজ্জ্বল করতে মাস্ক: উজ্জ্বলতা বাড়াতে সপ্তাহে ২ দিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এক চিমটি কাঁচা হলুদ সাথে কিছুটা দই ও মধু মিশিয়ে পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এতে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

তেলতেলে ভাব দূর করার উপায়: তেলতেলে ত্বকে মুলতানি মাটি ও গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমায়, পোর টাইট করে।

শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: শুষ্ক ত্বকের জন্য পাকা কলার সাথে মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ব্যবহার করলে তা ত্বককে নরম, উজ্জ্বল রাখে।

ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অ্যালোভেরা: প্রতিদিনের রুটিনে অ্যালোভেরা জেল রাখা যেতে পারে। কারণ, এটি ত্বককে স্নিগ্ধ রাখে, আবার অতিরিক্ত তেলও বাড়তে দেয় না। ডার্মাটোলজিস্টরা জানিয়েছেন, রাসায়নিকবিহীন ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অ্যালোভেরা নিরাপদ ও সহজলভ্য।

পরিশেষে বলা যায় যে সুস্থ ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের জুড়ি নেই।

সূত্র : আমার সংবাদ

ভূমিকম্প আমাদের জন্য সতর্কবার্তা

ভূমিকম্প আমাদের জন্য সতর্কবার্তা

 

ভূমিকম্প শুধুই প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সতর্কবার্তা। যখন আমরা ইমান সম্পর্কে উদাসীন হয়ে পড়ি, আল্লাহকে ভুলে পাপাচারে আকণ্ঠ ডুবে যাই, তখন আল্লাহ আমাদের সতর্ক করার জন্য নানা ধরনের দুর্যোগ প্রেরণ করেন। ভূমিকম্প এর অন্যতম। কোরআন থেকে আমরা জানতে পারি, আগেও অনেক জাতিকে আল্লাহ ভূমিকম্প দ্বারা শাস্তি দিয়েছেন।

মহান আল্লাহ সুরা আরাফের ৭৮ নম্বর আয়াতে বলেছেন, অতঃপর ভূমিকম্প তাদের হঠাৎ পাকড়াও করল আর তারা তাদের ঘরগুলোতে মুখ থুবড়ে পড়ে রইল। এই আয়াতে আল্লাহ সালেহ (আ.)-এর উম্মতের পরিণতি বর্ণনা করেছেন। সামুদ জাতির কাছে একত্ববাদের দাওয়াত পৌঁছাতে আল্লাহ সালেহ (আ.)-কে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সামুদ জাতি তাদের নবীকে অস্বীকার তো করলই, আল্লাহর পক্ষ থেকে অলৌকিক নিদর্শন হিসেবে প্রেরিত উটনিকেও তারা হত্যা করে। যার ফলে তাদের ওপর আল্লাহ ভূমিকম্পের শাস্তি প্রেরণ করেন। লুত (আ.)-এর উম্মতের শাস্তির বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেছেন, অতঃপর সূর্যোদয়ের সময় প্রকাণ্ড চীৎকার তাদের পাকড়াও করল। এরপর আমি জনপদকে উল্টিয়ে ওপর-নিচ করে দিলাম এবং তাদের ওপর পোড়ামাটির পাথর-কংকর বর্ষণ করলাম (সুরা হিজর)।

লুত (আ.)-এর সম্প্রদায় সমকামিতার মতো নোংরা ও জঘন্য অপকর্মে লিপ্ত হয়েছিল। সেই অপকর্মের পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ উপর্যুক্ত শাস্তি প্রেরণ করেন। তাদের জনপদকে ওলটপালট করে দেন। দুঃখের বিষয় হলো, যে অপরাধের কারণে আল্লাহর ভয়াবহ গজব তাদের ওপর নাজিল হয়েছিল, সেই একই ধরনের গর্হিত কাজ আজ আমাদের সমাজে প্রকাশ্যে ঘটছে। শুধু ইসলাম ধর্ম নয়, প্রচলিত প্রতিটি ধর্মেই সমকামিতা জঘন্য অপরাধ। এমনকি দেশীয় আইনেও এটি সুস্পষ্ট শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অথচ অধিকারের নামে রুচি ও প্রকৃতিবিরুদ্ধ সেই কাজের অনুমোদনের দাবি আজ প্রকাশ্যে করা হচ্ছে।

মনে রাখতে হবে, এমন কিছু অবাধ্যতা আছে, যা কোনো সমাজে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে গণহারে আল্লাহর গজব নেমে আসে। তাই আল্লাহর অসন্তুষ্টি ডেকে আনে, এমন সব পাপাচারের বিরুদ্ধে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন ও সোচ্চার হওয়া অপরিহার্য।

ভূমিকম্পে আমাদের দুই ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে। এক. আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি। দুই. জাগতিক প্রস্তুতি। এতক্ষণ যা বলা হলো, তা অধ্যাত্মিক প্রস্তুতির নির্যাস। পাপের জন্য তওবা করা, পাপ থেকে বেঁচে থাকা, আল্লাহর নৈকট্যলাভের চেষ্টা করা এসবই আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির অংশ।

আর ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে যা কিছু করা হয় সেগুলো জাগতিক প্রস্তুতির অংশ। আমরা এমন এক ভৌগোলিক এলাকায় বসবাস করি, জনঘনত্ব ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এখানে প্রতিটি অট্টালিকা যেন একেকটি সম্ভাব্য সমাধিসৌধ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকায় যদি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, তাহলে এক লাখের বেশি ভবন ধসে যেতে পারে। চিন্তা করুন, এটি কত ভীতিজাগানিয়া পূর্বাভাস! দুঃখজনক হলো, এমন ভয়াবহ ঝুঁকির বিপরীতে রাষ্ট্রীয় প্রস্তুতি একেবারেই অপ্রতুল। আধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকর্মীর সংখ্যা নগণ্য, বড় ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার মতো ভারী যন্ত্রপাতিও অপর্যাপ্ত। ফায়ার সার্ভিসের সীমিত সক্ষমতা দিয়ে হাজার হাজার ভগ্ন স্থাপনা সামলানো কেবলই কল্পনা। অথচ বিভিন্ন স্থাপনার নাম পরিবর্তন, ভাস্কর্য নির্মাণ বা অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পেই নয়, নেতা-নেত্রীদের জন্য তোরণ নির্মাণ, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, শোভাযাত্রা, নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও ক্ষমতার প্রদর্শনীতেও বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যে অপচয় ঘটে, তা এই অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কাঠামোকে আরও প্রসারিত করে তোলে।

সেই অর্থের সামান্য অংশও যদি দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি, ভূমিকম্প-প্রতিরোধী প্রযুক্তি, উদ্ধার সরঞ্জাম ও দক্ষ উদ্ধারকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণে ব্যয় করা হতো, তাহলে সেটিই হতো সবচেয়ে যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। এটি বিবেচিত হতো বর্তমানের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে।

তবে প্রস্তুতি যেন কেবল ভৌত অবকাঠামোর ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জাগতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি আমাদের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও প্রযুক্তি নিরাপত্তা দিতে পারবে না। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি দুর্যোগ আমাদের প্রতি সতর্কবার্তা। আমাদের সমাজের বিস্তৃত দুর্নীতি, জুলুম, অশ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে আমাদের গণ তওবা করা জরুরি।

জুমার মিম্বর থেকে

আবু সাঈদের ভাস্কর্য না বানানোর অনুরোধ পরিবারের

আবু সাঈদের ভাস্কর্য না বানানোর অনুরোধ পরিবারের



 গত ১৬ জুলাই কোটা আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন। আবু সাঈদ নিহতের পর বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছিল আবু সাঈদের একটি ভাষ্কর্য নির্মাণ করার। কিন্তু আবু সাঈদের বাবা এবং তার পরিবার চাচ্ছেন না দেশের কোথাও আবু সাঈদের ভাষ্কর্য নির্মাণ করা হোক।

আজ শুক্রবার আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ভাষ্কর্য নির্মাণ না করার অনুরোধ জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি দেন। সেই চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

চিঠিতে আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা সকলেই অবগত আছেন, আমার ছেলে আবু সাঈদ গত ১৬ জুলাই স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দোসরের গুলিতে নির্মমভাবে শহিদ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, কতিপয় কিছু লোক শহিদ আবু সাঈদের ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। শহিদ আবু সাঈদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই আপনারা এমন উদ্যোগ নিয়েছেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা আপনাদের ভালোবাসাকে সম্মান করি। কিন্তু আমার ছেলেটাকে কত কষ্ট দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, আপনারা দেখেছেন। আমি চাই না আমার ছেলে দুনিয়াতে যেমন কষ্ট পেয়েছে, আখিরাতেও তেমন কষ্ট পাক। আমরা মুসলমান। আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করি। যেহেতু ইসলাম ধর্মে সকল মূর্তি বা ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি বানানো নিষিদ্ধ, সেহেতু আপনাদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি- দেশের কোনো স্থানে আমার ছেলের মূর্তি বা ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি যেন না বানানো হয়। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, আমার ছেলের জন্য যদি কিছু করতেই চান, তাহলে জনকল্যাণমুখী এমন কিছু কাজ করুন যার সওয়ার আবু সাঈদ কবরে পাবে। সর্বোপরি, আমরা আপনাদের কাছে শহিদ আবু সাঈদের জন্য দোয়া চাই, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন। আমাদের জন্যও দোয়া চাই।”

এ প্রসঙ্গে আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘বাবা ভাষ্কর্য না বানানোর জন্য দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। ভাষ্কর্য বানানো নিয়ে আমরা বিভিন্ন আলেমের সাথে কথা বলেছি। তারা ভাস্কর্য না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। আবু সাঈদের নামে কোনো ব্রিজ, সড়ক, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কোনো হলের নাম হতে পারে কিন্তু ভাষ্কর্য না।’

বিডি প্রতিদিন

‘আমি যেন গর্ব করে বলতে পারি আসিফ আমার ছেলে’

‘আমি যেন গর্ব করে বলতে পারি আসিফ আমার ছেলে’

 


‘আন্দোলনের প্রথমে বাধা দিয়েছিলাম। যেন বের না হয়। সে আমার কথা শুনেনি। বললাম, এত কষ্ট করে পড়াশোনা করালাম ভালো চাকরি করো, মানুষের মত মানুষ হও। তুমি আন্দোলনে গিয়ে আমার স্বপ্ন শেষ করিও না। সে আমাকে বলেছিল দোয়া করতে৷কিছু করার ছিল না। আমি প্রতিবেলা নামাজে তার জন্য দোয়া করতাম। তার মাও দোয়া করতো, কান্নাকাটি করতো। আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন। এখন আল্লাহ তার শ্রম ও সততার পুরষ্কার দিয়েছেন। অন্তবর্র্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হয়েছেন। ’

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এসব কথা বলেন অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাবা মো. বিল্লাল হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকে আসিফ মিশুক ও অধিকার সচেতন। তার নেতৃত্ব দেয়ার আলাদা গুণ লক্ষ্য করেছি। সে যেখানেই গেছে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু কখনই কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। 

তিনি বলেন, ছেলেকে সৎ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। কখনই দুর্নীতির শিক্ষা দেয়নি। আমরা আজ গাড়ি ভাড়া করে এসেছি। আমি চাই আমার ছেলেও যখন উপদেষ্টা থাকবে না তখন যেন গর্ব করে বলতে পারে আমি দুর্নীতি করিনি। আজ যেমন পাঞ্জাবি, টি-শার্ট পরে বঙ্গভবনে গেছে সে যেন এমনই সাধারণ থাকে। আমার ছেলের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বাংলার ইতিহাস মনে রাখবে এটা আমার বিশ্বাস আছে। আর আমিও যেন গর্ব করে বলতে পারি আসিফ আমার ছেলে। তার কোনো দুর্নীতি নেই। 

জানা গেছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকবপুর ইউনিয়নের আকবপুর গ্রামের মো. বিল্লাল হোসেন ও রোকসানা আক্তার দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। আসিফের বাবা আকবপুর ইয়াকুব আলী ভূইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বড় বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে স্বামীসহ জাপানে আছেন। তৃতীয় বোন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। আর ছোট বোন রাজধানীর হলিক্রস কলেজে পড়াশোনা করছেন। 

জানা গেছে, আসিফ ২০১৩ সালে কুমিল্লার আকবপুর ইয়াকুব আলী ভূইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণি পাস করেন। পরে ঢাকার তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়া এলাকার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর চলে যান ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। সেখানে উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করেন তিনি। সব ক্লাসেই ভালো ফল পাওয়া আসিফ প্রথম বারেই চান্স পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগে। 

তার এই সফলতার খবরে শুক্রবার উপজেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। মসজিদে মসজিদে তার জন্য দোয়া ও মিষ্টি বিতরণ করছে স্থানীয় জনতা। অনেকে আসছেন তার বাড়ি ঘর দেখতে। 

বিডি প্রতিদিন

সকালে অ্যালার্ম বাজলেই ‘স্নুজ’ করে দেন?

সকালে অ্যালার্ম বাজলেই ‘স্নুজ’ করে দেন?

 


এই প্রজন্মের সকালে দেরি করে ওঠার বেশ বদনাম রয়েছে। তবে পড়াশোনা হোক বা অফিস আদালত চাইলেই তো আর দেরি করে ওঠা সবসময় সম্ভব হয় না। তখন ভরসা হয়ে ওঠে ‘অ্যালার্ম’। 

তবে অনেকের অ্যালার্মের আওয়াজেও ঘুম ভাঙ্গে না। তাদের জন্য অ্যালার্ম ‘স্নুজ’ করে রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে। অনেকেই অ্যালার্ম বাজলেও আরও একটু ঘুমিয়ে নিতে অ্যালার্ম ‘স্নুজ’ করে দেন। ‘স্নুজ’ বিষয়টি হচ্ছে কিছুক্ষণের জন্য অ্যালার্ম বাজা বন্ধ হয়ে যায়। আবার কয়েক মিনিট পর থেকে তা বাজতে থাকে। অনেকেই এই ‘স্নুজ অ্যালার্ম’ ব্যবহার করে কয়েক মিনিট বেশি ঘুমিয়ে নেন।



তবে চিকিৎসকদের মতে, এই পদ্ধতির অ্যালার্ম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এতে দৈনন্দিন ঘুমের মান নষ্ট হয়। কয়েক মিনিট পর পর ঘুম থেকে তুলে দেওয়ার এই পদ্ধতি শরীরের ওপর বাজে প্রভাব ফেলে। কেননা ঘুমের বিভিন্ন ধাপ রয়েছে। যেমন, এনআরইএম (নন র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট) ও আরইএম (র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট)।

‘আরইএম’ পর্যায়ে ঘুম অনেক স্বস্তির হয়। এ সময়ে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে শরীরে এর বাজে প্রভাব পড়ে। ঘুমের চক্র সাধারণত স্থায়ী ৯০ মিনিট। তারপর একটু ভাঙে। আবার এই চক্র শুরু হয়। এমন করে ৪-৬ বার ঘুমের এই চক্রের পুনরাবৃত্তি ঘটে। অ্যালার্ম ‘স্নুজ’ করার ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যাহত হয় ঘুমের ‘আরইএম’ পর্যায়। এই ধাপে মানুষ সবচেয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হন। সেটা খুব অল্প সময়ের জন্য হতে পারে। অ্যালার্মের শব্দে এক বার ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর ১০ মিনিটের জন্য স্নুজ করে দিলে যে ঘুমটা আসে, সেটাও ‘আরইএম’ পর্যায় হিসাবে ধরা হয়। ৫-১০ মিনিট পর পর অ্যালার্ম বাজতে শুরু করলে হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় প্রথম অ্যালার্মেই ঘুম থেকে ওঠার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। 

ইত্তেফাক/এআই