The National Press
সর্বশেষ
লোড হচ্ছে...
কুয়েতে মিসাইল বিস্ফোরণে নিহত সন্দ্বীপের প্রবাসী জাহেদ

কুয়েতে মিসাইল বিস্ফোরণে নিহত সন্দ্বীপের প্রবাসী জাহেদ

 

কুয়েতে মিসাইল বিস্ফোরণে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের এক প্রবাসী যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বিকেল ৩টার দিকে কুয়েতের জারা জালমি এলাকার মরু অঞ্চলে একটি মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

নিহত ওই প্রবাসীর নাম জাহেদ হোসেন (৩০)। তিনি সন্দ্বীপ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিনের ছোট ছেলে। জাহেদ হোসেনের স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী একটি প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে। স্বজনরা জানান, প্রায় ৪ বছর আগে উট চড়ানোর (ক্যামেল রাইডিং) ভিসায় কাজের উদ্দেশে জাহেদ কুয়েত যান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুয়েত থেকে এক আত্মীয় ফোন করে পরিবারের সদস্যদের তার মৃত্যুর খবর জানান।

তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন নিহতের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

এসময় তিনি স্বজনদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

১৩ দিনে দেড় বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে

১৩ দিনে দেড় বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে


 বছরের শেষ সময়ে এসেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের ১৩ দিনে দেশে এসেছে প্রায় ১৫০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৮ হাজার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) ৩৯০ কোটি টাকার বেশি।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম ১৩ দিনে ১৫০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক (কৃষি ব্যাংক) ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৫ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ লাখ ডলার। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলো মাধ্যমে ১০৯ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার ডলার এসেছেন এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩২ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় ছিল— জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে এসেছে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স।

প্রসঙ্গত, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ছিল ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের বছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল— জুলাইয়ে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি, মে মাসে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন

“বাংলাদেশ-মঙ্গোলিয়ার মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত”

“বাংলাদেশ-মঙ্গোলিয়ার মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত”


 বাংলাদেশ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। মঙ্গোলিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মঙ্গোলিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত গ্যানবোল্ট তামবাযাও। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, ‘আমাদের উচিত এই কূটনৈতিক সদিচ্ছাকে ব্যবসা-বাণিজ্যিক যোগাযোগে রূপান্তর করা যেন আমাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়।’
 
মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের অনুকূলে ভিসা অব্যাহতি চুক্তির পাশাপাশি সর্বসাধারণের জন্যও ভিসা অব্যাহতি চুক্তি করা যেতে পারে।
 
মঙ্গোলিয়ার প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মঙ্গোলিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত গ্যানবোল্ট তামবাযাও ও মঙ্গোলিয়ায় বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুল জেনারেল নাসরিন ফাতেমা আউয়াল। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়সল আহমেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত উইং) মোহাম্মদ নুরে আলম প্রমুখ।

বাংলাদেশ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্যে পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তিতে মোট ১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। এটি স্বাক্ষর হওয়ার ফলে উভয় দেশের কূটনৈতিক এবং অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী নাগরিক অপর পক্ষের ভূখণ্ডে প্রবেশ, বহির্গমন ও ট্রানজিটের ক্ষেত্রে অনধিক ৩০ দিনের জন্য ভিসা ছাড়াই অবস্থান করতে পারবেন। এ চুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য বলবৎ থাকবে। চুক্তিবদ্ধ যে কোনো পক্ষ ৯০ দিনের লিখিত নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে এ চুক্তির অবসান ঘটাতে পারবে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ক অধিকতর ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সম্পাদন করা হয়। এ পর্যন্ত ৩৪ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই হয়েছে।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন