The National Press
সর্বশেষ
লোড হচ্ছে...
বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি

বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য ভিসা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি

 

ভিসা নিয়ে বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। দেশটি জানিয়েছে, নতুন চালু করা সমন্বিত ভ্রমণ প্যাকেজের সুবিধা প্রাথমিক পর্যায়ে সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সৌদি আরবে ভ্রমণ আরও সহজ হবে। শুক্রবার গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব প্রাথমিকভাবে সদ্য চালু হওয়া ভিসা প্যাকেজ কর্মসূচির জন্য সাতটি দেশকে নির্বাচন করেছে। এসব দেশের নাগরিকরা এই কর্মসূচির আওতায় একটি সমন্বিত ভ্রমণ বুকিংয়ের অংশ হিসেবে ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা পাবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে মিশর, জর্ডান, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং মেক্সিকোর নাগরিকদের জন্য এ সুবিধা চালু করা হয়েছে। দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন দেশের জন্য এ সেবা চালু করা হবে।

এই কর্মসূচির আওতায় ভ্রমণকারীরা একটি বুকিংয়ের মাধ্যমেই তাদের পুরো ভ্রমণের ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে পারবেন। এর মধ্যে রিটার্ন ফ্লাইট, অনুমোদিত পর্যটন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ট্যুরিস্ট ভিসা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে আলাদাভাবে ভিসার আবেদন জমা দেওয়া বা সৌদি দূতাবাসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যাকেজ কেনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে ভিসা ইস্যু করা হবে। ভ্রমণকারীরা অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে বুকিং করার পর ইমেইলে তাদের ভিসা, ভ্রমণ বীমা এবং ভ্রমণ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়ে যাবেন। এখন পর্যন্ত রিজারভাল ও আলমোসাফের নামে দুটি ট্রাভেল এজেন্সি এ পরিষেবা প্রদানের অনুমতি পেয়েছে। ভিসাটির মেয়াদ হবে তিন মাস। এই ভিসায় একবার প্রবেশ করা যাবে এবং দুই দিন থেকে ৮৮ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি থাকবে।

গালফ নিউজ জানিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রথম দুই দিনের সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্য ৪ হাজার সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর প্রতি অতিরিক্ত দিনের জন্য ১ হাজার সৌদি রিয়াল যোগ হবে। ভিসা প্রদান ও ভ্রমণ বীমাসহ মোট ভিসা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০২ দশমিক ২১ সৌদি রিয়াল। ভ্রমণকারীরা তাদের বুকিংয়ের সঙ্গে ইভেন্টের টিকিট এবং বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতার মতো ঐচ্ছিক পরিষেবাও যুক্ত করতে পারবেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্যাকেজগুলোতে মক্কা ও মদিনায় উমরাহ-সম্পর্কিত কোনো পরিষেবা বা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে ভিসাধারীরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর মক্কা ও মদিনাসহ দেশটির যেকোনো স্থানে ভ্রমণ করতে পারবেন। অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বা থাকার ব্যবস্থা বাতিল হলে অর্থ ফেরত এবং বুকিং পরিবর্তনের বিষয়টি অনুমোদিত ভ্রমণসেবা প্রদানকারীর নীতিমালা অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কর্মসূচিটি আরও উন্নত করার পাশাপাশি এর আওতায় দেশের তালিকাও সম্প্রসারণ করা হবে।

সূত্র: গালফ নিউজ

মুসলিম বিশ্বের জন্য আজ পবিত্র হজের দিন

মুসলিম বিশ্বের জন্য আজ পবিত্র হজের দিন

আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজ। তাঁবুর শহর মিনায় রাত্রিযাপন শেষে আরাফাহ'র ময়দানের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন মুসল্লিরা। বিশেষ বাস ও ট্রেনযোগে এবার হজযাত্রীদের নেয়া হচ্ছে ঐতিহাসিক প্রান্তরে।

এখানেই আজ অনুষ্ঠিত হবে হজের খুতবা। যা বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় অনূদিত হবে। এ বছর খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। আরাফাহ'র ময়দানে একসাথে জোহর-আসরের নামাজ আদায়ের পর মুজদালিফায় যাবেন মুসল্লিরা। সেখানে রাত্রিযাপনের পর ১০ জিলহজ, বুধবার জামারায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। এরপরই মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করবেন সবাই।

এবার হজযাত্রীদের আনা-নেয়ায় ২৪ হাজার বাস ব্যবহার করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, এবার রেকর্ড প্রায় ২০ লাখ মুসল্লি অংশ নিচ্ছেন পবিত্র হজে।

 

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

 

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে প্রতি বছর মক্কায় সমবেত হন লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলিম। এ বছর হজের উদ্দেশে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত বিশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানা গেছে। আইটি হেল্প ডেস্কের বুলেটিন অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ৩টা পর্যন্ত মোট ৮১টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার ৫৩২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৩টি ফ্লাইটে গেছেন ১৩ হাজার ৬৮৪ জন।

সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের (সাউদিয়া) ৩০টি ফ্লাইটে পৌঁছেছেন ১১ হাজার ২৯৯ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৮টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৫৪৯ জন হজযাত্রী জেদ্দায় পৌঁছেছেন।

এদিকে চলতি বছর পবিত্র হজ পালনে সৌদি গিয়ে এখন পর্যন্ত দুই বাংলাদেশি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তারা হলেন- টাঙ্গাইলের সদরের মো. আবুল কাশেম ও জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল।

টাঙ্গাইলের মো. আবুল কাশেম সৌদির মক্কায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল স্বাভাবিকভাবে মক্কায় মারা যান বলে জানা গেছে।

গত ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এ দিন ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট সৌদির উদ্দেশে যাত্রা করে। এ ফ্লাইট পরিচালনা শেষ হবে আগামী ২১ মে।

৩০ মে থেকে পুনরায় হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। শেষ হবে ৩০ জুন। চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করতে যাবেন ৫ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন।

হজে ছবি তোলা যাবে না, বিষয়টি জানা গেল

হজে ছবি তোলা যাবে না, বিষয়টি জানা গেল


 আসন্ন হজ ২০২৬ মৌসুমে পবিত্র দুই মসজিদে ফটোগ্রাফি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুজব ছড়িয়েছিল, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট সব অফিসিয়াল সূত্র এবং ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থাগুলো জানিয়েছে—এমন সিদ্ধান্তের কোনো ঘোষণা সৌদি সরকারের কোনো দপ্তর থেকে দেওয়া হয়নি।সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট দাবি করেছিল যে ভিড় কমানোর স্বার্থে হজ মৌসুমে মোবাইল ফোনসহ সব প্রকার ছবি ও ভিডিও ধারণ নিষিদ্ধ করা হবে। কিন্তু সৌদি হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের অন্য কোনো সংস্থা এই তথ্য প্রকাশ বা সমর্থন করেনি।দ্য ইসমালিক ইনফরমেশন এই বিষয়ে ফ্যাক্ট চেক করে জানিয়েছে, পবিত্র দুই মসজিদে ফটোগ্রাফি সংক্রান্ত কোনো নতুন নীতিমালা চালু হয়নি; আগের নিয়মই বহাল আছে। 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হজ ও রমজান মৌসুম ঘিরে প্রায়ই এ ধরনের ভুল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং যাচাই বাছাই ছাড়াই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে যায়। হাজিদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন শুধুমাত্র সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ওপরই নির্ভর করেন। তবে অতীতে, কর্তৃপক্ষ পেশাদার ক্যামেরা, বড় আকারের ফটোগ্রাফি সরঞ্জাম বা এমন ছবি তোলাকে নিষিদ্ধ করেছে, যা অন্য হাজিদের ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটায় বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। ২০১৭ সালের দিকে এই বিষয়ে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছিল।

সূত্র :  যুগান্তর

 নেট দুনিয়া মুগ্ধ মহাকাশ থেকে তোলা ছবিতেও ঝলমল করছে পবিত্র কাবা,

নেট দুনিয়া মুগ্ধ মহাকাশ থেকে তোলা ছবিতেও ঝলমল করছে পবিত্র কাবা,

 


যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারী ডন পেটিটের মহাকাশ থেকে তোলা একটি চমকপ্রদ ছবি ইন্টারনেটে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। রাতের বেলা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উঁচুতে মহাকাশের কক্ষপথ (অরবিট) থেকে তোলা এই ছবিতে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীকে দেখা যাচ্ছে ঝলমল করতে।

ছবিটিতে ঝলমলে মক্কা নগরের বুকে একটি উজ্জ্বল সাদা আলোর গোলক স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। নভোচারী ডন পেটিট তার এক্স অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করে নিশ্চিত করেছেন যে, মাঝখানের এই উজ্জ্বল ছোট্ট এলাকাটিই হলো ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান পবিত্র কাবা শরিফ। যা মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান হচ্ছে।

গত ২ ডিসেম্বর ছবিটি পোস্ট করার পর থেকেই এর জাদুকরী দৃশ্য মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। ছবিতে মক্কা নগরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দেখা যাচ্ছে, যেখানে পাহাড়ি উপত্যকায় অবস্থিত মক্কার কেন্দ্রে রয়েছে গ্র্যান্ড মসজিদ বা মসজিদুল হারাম। লাখ লাখ এলইডি এবং সোডিয়াম লাইটের কারণে রাতের বেলা মহাকাশ থেকে মক্কা নগরীটিকে এক ঝলমলে দৃশ্যে দেখা যায়।

এই 'দিব্য আলো'র দৃশ্য দেখে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা গভীর মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। অনেকে মন্তব্য করেছেন যে, মহাকাশ থেকে কাবার আলো একেবারেই আলাদা, যেন রাতের বেলা পৃথিবীর নিজস্ব চিরন্তন আলোয় তার আত্মা জ্বলজ্বল করছে। এই অভাবনীয় দৃশ্যটি সবাইকে দেখার সুযোগ করে দেওয়ায় অনেকে নভোচারী ডন পেটিটকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

পেটিট একজন দক্ষ অ্যাস্ট্রো ফটোগ্রাফার এবং রসায়ন প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত। মহাকাশ থেকে ছবি তোলার প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জকে শৈল্পিক রূপ দেওয়ার জন্য তাঁর জগৎজোড়া খ্যাতি রয়েছে। 

সূত্র : বিডি প্রতিদিন

সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের অপহরণের ‘মহামারী বিস্ফোরক অভিযোগ -পিনাকী ভট্টাচার্যের

সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের অপহরণের ‘মহামারী বিস্ফোরক অভিযোগ -পিনাকী ভট্টাচার্যের



পিনাকী ভট্টাচার্যের


"গত আট মাসে সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশী অপহরণের শিকার হয়েছে শতাধিক। এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে তিনজন। সবচেয়ে ভয়ংকর খবর হচ্ছে এই কাজ করছে বাংলাদেশীরাই। মুক্তিপণ আদায় একটা কারণ।

সেই ক্রিমিনালদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে সৌদি প্রবাসী সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ধনাঢ্য বাংলাদেশীরা।

আমি বিষয়টা নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে কথা বলেছি। আমাদের দুতাবাসেও কথা বলেছি। সরকার অবহিতই শুধু না উনারা কাজ করছেন।

কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। কিন্তু ভিক্টিমকে ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দিয়েছে এমন প্রভাবশালী তারা। কেউ সাক্ষ্যও দিতে আসছে না। তাই তারা ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে।

বিষয়টা জটিল সেই কারণে। আপনারা সাক্ষ্য দিবেন। ভয় পাবেন না। আর এর পর থেকে যারা গ্রেফতার হবে তাদের নিয়ে এপিসোড বানাবো আমি ইলিয়াস আর কনক সারোয়ার একসাথেই। যারা এই ক্রিমিনালদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদের নাম ধাম প্রকাশ করে দেবো হাতে অকাট্য প্রমাণ এলেই।

আমরা কিছু নাম জেনেছি এর মধ্যেই যারা এই ক্রিমিনালদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে। আর একটা ঘটনা ঘটলে সিরিয়াল ধরে একজন একজন করে নাম ধাম প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশের ভাত কিন্তু জিন্দেগীর মতো হারাম হয়ে যাবে।"

বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও প্রেক্ষাপট পিনাকীর এই পোস্টটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে শেয়ার করা হয়েছে, যা সৌদি আরবে বাংলাদেশী প্রবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নিচে বিস্তারিত:

অপহরণের পরিসংখ্যান ও প্রকৃতি:

গত ৮ মাসে (এপ্রিল থেকে নভেম্বর ২০২৫) শতাধিক (১০০+) বাংলাদেশী অপহরণের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে কমপক্ষে ৩ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

অপহরণকারীরা সহ-প্রবাসী বাংলাদেশীরা – তারা মুক্তিপণ (১০-৫০ লাখ টাকা) আদায় করে। অপহৃতদের আটকে রেখে বাংলাদেশে পরিবারের সঙ্গে ভিডিও/অডিও কল করে হুমকি দেয়া হয়। টাকা বিকাশ, ব্যাংক বা এমএফএস-এর মাধ্যমে আদায় করা হয়।

সৌদির রিয়াদ, জেদ্দা, দাম্মামের মতো শহরে এই চক্র সক্রিয়। ২০১৬-১৭ সাল থেকে শুরু হলেও, করোনা পরবর্তী সময়ে এটি 'মহামারী' আকার ধারণ করেছে।45de01


পিনাকীর অভিযোগ: সৌদির প্রতিষ্ঠিত ধনাঢ্য বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা এই ক্রিমিনাল চক্রকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এর ফলে গ্রেপ্তারকৃতরা ছাড়া পান। তিনি বলেছেন, কিছু নাম তারা জেনে গেছেন, এবং অকাট্য প্রমাণ পেলে প্রকাশ করবেন। "বাংলাদেশের ভাত জীবনের মতো হারাম হয়ে যাবে" – এই সতর্কবাণী দিয়ে তিনি জাতীয় লজ্জার কথা তুলে ধরেছেন।


পিনাকী জানান, তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলেছেন। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু প্রভাবশালীদের হুমকিতে ভিক্টিমরা সাক্ষ্য দিতে ভয় পান। ফলে অপরাধীরা মুক্তি পান।

সরকার অবহিত কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ নেই। দূতাবাসের 'প্রবাসী সহায়তা সেল' কাজ করছে না বলে অভিযোগ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি।b596a9

পিনাকীর ঘোষণা ও আহ্বান ভিক্টিমদের "সাক্ষ্য দিন, ভয় পাবেন না।"

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: গ্রেপ্তারকৃতদের নিয়ে ইলিয়াস এবং কনক সারোয়ারের সঙ্গে এপিসোড তৈরি করবেন। আরেকটি ঘটনা ঘটলে সিরিয়ালভাবে আশ্রয়দাতাদের নাম প্রকাশ করবেন।

এটি একটি জটিল সমস্যা, কারণ অদৃশ্য শক্তি (প্রভাবশালী লোকেরা) হস্তক্ষেপ করছে।

সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ (পিনাকীর পোস্টের প্রেক্ষাপটে):

নভেম্বর ২০২৫: রিয়াদে ২০ বছরের প্রবাসী মো. রাসেলকে অপহরণ। ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, পরিবার ৩৫ লাখ দেয়। চক্রের সদস্য জিয়াউর রহমান (৪২) বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হন।

মে ২০২৫: রিয়াদের সোলাই এলাকায় জয়নাল আবেদীনকে অপহরণ, ১০ লাখ দাবি। ১.৫ লাখ বিকাশে মুক্তি, কিন্তু নির্যাতিত।

সৌদিতে ৩৫ লক্ষ বাংলাদেশী শ্রমিক আছেন, যা রেমিট্যান্সের বড় অংশ। এই চক্র রেমিট্যান্স কমাতে পারে।

প্রভাব ও দাবি পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। #SaveSaudiBangladeshi, #StopKidnappingInSaudi ট্রেন্ড করছে। প্রবাসীরা ৭ দফা দাবি তুলেছেন: দূতাবাস সক্রিয় করা, যৌথ তদন্ত, ভিক্টিম সহায়তা ইত্যাদি। পিনাকীর এই পোস্ট বাংলাদেশী প্রবাসীদের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন আন্দোলনের সূচনা করেছে।

#পিনাকী ভট্টাচার্যের

মদ বিক্রির ওপর বিধি-নিষেধ আরো শিথিল করেছে সৌদি আরব

মদ বিক্রির ওপর বিধি-নিষেধ আরো শিথিল করেছে সৌদি আরব

 

সৌদি আরবে বসবাসরত বিদেশিরা জানিয়েছেন, দেশটিতে মদ বিক্রির ওপর বিধিনিষেধ আরো শিথিল করা হয়েছে। রক্ষণশীল এই রাজ্যে কেবল কয়েক দিন আগেই প্রথমবারের মতো কূটনীতিক নন—এমন ব্যক্তিরা মদ কেনার সুযোগ পেয়েছিলেন।

এএফপির সঙ্গে কথা বলা ছয়জন ব্যক্তির মতে, মাসে অন্তত ৫০ হাজার রিয়াল আয় করেন—এমন অমুসলিম বিদেশি বাসিন্দারা এখন রিয়াদে দেশের একমাত্র মদের দোকান থেকে পানীয় কিনতে পারছেন।

গত মাসের শেষ দিকে ‘প্রিমিয়াম ভিসা’ধারীদের রিয়াদে মদ কেনার অনুমতি দেওয়া হয়।

এতে রাজধানীর কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত ওই দোকান থেকে এই প্রথম কূটনীতিক নন—এমন বাসিন্দারা মদ কেনার সুযোগ পান।

এরপর নীরবে নিয়ম আরো শিথিল করা হয়।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ক্রেতারা জানান, তারা দোকানের কর্মীদের কাছে নিজেদের আবাসিক কাগজপত্র দেন। এরপর কর্মীরা একটি সৌদি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের বেতনের তথ্য যাচাই করেন, তারপর মদ বিক্রি করা হয়।

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বন্ধুদের কাছ থেকে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার খবর পেয়ে এক প্রবাসী এএফপিকে বলেন, ‘আমরা অবাক হয়েছি এবং শুরুতে বিশ্বাসই করতে পারিনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘যাচাই করার পর আমরা দোকানে ঢুকি এবং সফলভাবে মদ কিনতে পারি।’

রিয়াদে বসবাসকারী আরেক প্রবাসী নারীও জানান, তিনিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মদ কিনতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, ‘খবরটা শুনে আমাদের আশপাশের মানুষজন যেন পাগল হয়ে গেল—যেন তারা আগে কখনো মদ চেখেই দেখেনি!’

রিয়াদের ওই মদের দোকানে বিক্রি ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক সূত্র জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রথম ধাপের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৫০০ জনের বেশি প্রিমিয়াম ভিসাধারী বাসিন্দা ওই দোকান থেকে কেনাকাটা করেছেন।

২০১৯ সালে চালু হওয়া সৌদি আরবের প্রিমিয়াম রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস একটি নির্বাচিত গোষ্ঠীর বিদেশিদের জন্য প্রযোজ্য। এটি পেতে হলে বিভিন্ন শর্ত পূরণের পাশাপাশি এককালীন আট লাখ রিয়াল পরিশোধ করতে হয়।

সৌদি আরবের অন্যান্য বড় শহরেও আরো মদের দোকান খোলার বিষয়ে নানা প্রতিবেদন ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে অবগত এক সূত্র জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে জেদ্দা ও ধাহরানে মদের দোকান খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।  তবে এ বিষয়ে তিনি আর কোনো বিস্তারিত তথ্য বা নির্দিষ্ট বিবরণ দেননি।

সূত্র : এএফপি

সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেফতার

সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেফতার

 

সৌদি আরবে বসবাস, সীমান্ত ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে দেশটির প্রশাসন। এক সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে ২১ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে একাধিক সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে মোট ২১ হাজার ১৩৪ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ১৩ হাজার ১২৮ জন বসবাস আইন লঙ্ঘন, ৪ হাজার ৮২৬ জন সীমান্ত নিরাপত্তা ভঙ্গ এবং ৩ হাজার ১৮০ জন শ্রম আইন ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার হন।  

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২২ হাজার ৭১ জনকে নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য পাঠানো হয়েছে। ৫ হাজার ৭৮ জনকে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনার অধীনে পাঠানো হয়েছে। এ সপ্তাহে ১১ হাজার ৬৭৪ জনকে সৌদি আরব থেকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।  

অভিযানে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৬৬৭ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৪২ শতাংশ ইয়েমেনি এবং বাকিরা অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া ৩১ জন সৌদি আরব থেকে অবৈধভাবে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় ধরা পড়ে।  

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অভিযানে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে যারা আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থান দিয়ে সহায়তা করছিলেন। বর্তমানে দেশটিতে মোট ৩১ হাজার ৯১ জন বিদেশির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৫৩৮ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৫৫৩ জন নারী।  

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা আইন লঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়, পরিবহন বা সহযোগিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি জব্দ করা হতে পারে। 

সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অপহরণ: প্রবাসী ইলিয়াশের সাংবাদিক সম্মেলন সরকারের নজরে আসে, ৭ দফা দাবির ঘোষণা

সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অপহরণ: প্রবাসী ইলিয়াশের সাংবাদিক সম্মেলন সরকারের নজরে আসে, ৭ দফা দাবির ঘোষণা

 

File Photo


জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সৌদি প্রবাসী অধিকারকর্মী ইলিয়াশ  নেতৃত্বে এক জরুরি সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে যে অপহরণ চক্র চলছে তার মূল পরিকল্পনাকারী, অপারেটর এবং লাভবান সবাই বাংলাদেশি। এই চক্রে নারী সদস্যরাও সক্রিয়। সম্মেলনের খবর সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

চক্রের বাস্তবতা: বাংলাদেশিদেরই মূল জড়িততা

অপহরণকারী গ্যাংয়ের ৯০% এর বেশি সদস্য বাংলাদেশি প্রবাসী

তারা বাংলায় কথা বলে শিকারকে বিশ্বাস করে গাড়িতে তুলে নেয়

মুক্তিপণের টাকা ১০০% বাংলাদেশের বিকাশ-নগদ-ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসে

বাংলাদেশে বসে থাকা সহযোগীরা টাকা তুলে কমিশন ভাগ করে নেয়

চক্রে নারী সদস্যরাও আছেপ্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে

 সাম্প্রতিক ঘটনা (সবই বাংলাদেশি চক্র)

. এমডি রাসেল (রিয়াদ) – ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ, বাংলাদেশে জন গ্রেপ্তার

. আরিফ হোসেন (মানফুয়া) – ১৫ লাখ দাবি, এখনো নিখোঁজ

. হবিগঞ্জের শাকিল-কাসেদুল লাখ টাকা বিকাশে আদায়

. ফেনীর জয়নাল১০ লাখ দাবি, . লাখ পেয়ে ছেড়ে দেয়

 আজকের দফা দাবি

. সৌদি-বাংলাদেশ যৌথ টাস্কফোর্স গঠন

. অপহরণকারীদের নাম-ছবি-পাসপোর্ট প্রকাশ ইকামা বাতিল

. দূতাবাসে ২৪ ঘণ্টা প্রবাসী নিরাপত্তা সেল

. বাংলাদেশে মুক্তিপণের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ গ্রেপ্তার ত্বরান্বিত

. সৌদিতেগ্যাং ঝাটাবিশেষ অভিযান

. প্রবাসীদের জন্য আলাদা হটলাইন

. নারী সদস্যসহ পুরো চক্রের তালিকা প্রকাশ 

ইলিয়াশ বলেছেন, “আমাদের ভাইয়েরাই আমাদের ভাইদের তুলে নিয়ে মারছেএটা আর চলতে দেওয়া যাবে না!” সরকারের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়েছে সিআইডি: আরও - জনের নাম শনাক্ত, গ্রেপ্তার চলছে

দূতাবাস রিয়াদ: নতুন হটলাইন (+৯৬৬-৫৫-৩০২-৬৮১৪),(8001000124) চালু

রাতে একা বের হবেন না

অপরিচিত গাড়িতে উঠবেন না

কিছু হলে সৌদি পুলিশ ৯৯৯দূতাবাসপরিবার

মুক্তিপণ দিলে চক্র আরও বাড়বে

 

সূত্র: ,সিআইডি, বাংলা ট্রিবিউন