The National Press
সর্বশেষ
লোড হচ্ছে...
প্রকাশ হলো একাদশে ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য সময়সূচি

প্রকাশ হলো একাদশে ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য সময়সূচি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হবে। এবারও শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচন করা হবে।

ভর্তি হবে অনলাইনে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পুরো কার্যক্রম কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় একাধিক কলেজ পছন্দের তালিকায় রাখার সুযোগ থাকবে।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন। এরপর শিক্ষার্থীর মেধাক্রম, কোটা ও পছন্দের ভিত্তিতে একটি কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচন করা হবে।

কোনো ভর্তি পরীক্ষা থাকবে না

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণভাবে আলাদা কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের কলেজ নির্ধারণ করা হবে।

তবে আদালতের নির্দেশনা বা প্রচলিত বিশেষ নিয়মের আওতায় থাকা কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে।

কয়েক ধাপে হবে ভর্তি কার্যক্রম

একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া একাধিক ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে আবেদন গ্রহণ ও ফল প্রকাশের পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিটি ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। এরপর মাইগ্রেশন ও চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা হবে।

সব ধাপের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মেধার ভিত্তিতে কলেজ নির্বাচন

ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীর দেওয়া পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য কোটা বিবেচনা করা হবে।

অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী যে কলেজগুলো পছন্দের তালিকায় রাখবেন, সেগুলোর মধ্যে তার মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ নির্ধারণ করা হবে।

আবেদন ফি ও পছন্দের কলেজ

ভর্তির অনলাইন আবেদন করতে নির্ধারিত ফি দিতে হবে। সাম্প্রতিক ভর্তি নীতিমালায় আবেদন ফি ২২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং একজন শিক্ষার্থী পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানের পছন্দ দিতে পারতেন।

তবে চলতি বছরের চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে ফি ও সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন এলে সেটিই কার্যকর হবে।

ভর্তি ফি কলেজভেদে আলাদা

কলেজে চূড়ান্ত ভর্তির সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী ভর্তি ফি নির্ধারিত হবে। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকার জন্য আলাদা সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা থাকে। নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও আলাদা কাঠামো রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়ার সময় নির্ধারিত সীমার বেশি অর্থ আদায় না করার বিষয়ে শিক্ষা প্রশাসনের নির্দেশনা রয়েছে।

এসএসসি পাস শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পরামর্শ

এদিকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই পছন্দের কলেজগুলোর তালিকা প্রস্তুত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইনে আবেদন করার সময় কলেজের অবস্থান, বিষয়ভিত্তিক আসন, গ্রুপ এবং শিক্ষার্থীর নিজের ফলাফল বিবেচনায় নিয়ে পছন্দক্রম সাজানো গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষা বোর্ডের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন শুরুর তারিখ, ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন, চূড়ান্ত ভর্তি ও ক্লাস শুরুর নির্দিষ্ট সময়সূচি স্পষ্ট হবে।

জবিসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের নিন্দা জানাল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

জবিসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের নিন্দা জানাল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট


 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ এবং দখলদারিত্বের রাজনীতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের জবি শাখা। একই সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার অবসান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক তৌকির আহমেদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসে হামলা ও দখলদারিত্বের প্রতিবাদে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মিছিল বের করলে সংগঠনটির জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসীবসহ কয়েকজন নেতা-কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

সংগঠনটির মতে, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাত দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার বহিঃপ্রকাশ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দখলদারিত্ব ও সহিংস রাজনীতির ধারাবাহিকতা, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সবসময় শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংস রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য, ছাত্ররাজনীতির একটি ধারা সন্ত্রাস ও আধিপত্যের, অন্যটি শিক্ষার্থীদের অধিকার, গণতন্ত্র ও মুক্ত শিক্ষাঙ্গন প্রতিষ্ঠার।

এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সৃষ্ট অস্থির পরিবেশের জন্য ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাতকে দায়ী করে নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কোনোভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা উচিত হবে না।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংসতা বন্ধ, সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

জবিতে সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আহত সাংবাদিক কায়েস

জবিতে সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আহত সাংবাদিক কায়েস

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও আজকালের খবর–এর প্রতিবেদক কায়েস।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সকাল থেকে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলাকালে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছিলেন কায়েস। এ সময় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে তিনি আহত হন। পরে সহপাঠী ও সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

আহত সাংবাদিক কায়েস অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন তিনি। এ সময় ছাত্রদলের এক কর্মী তাকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন।

তিনি বলেন, “আমি নিউজ কভার করছিলাম। তখন ছাত্রদলের একজন আমাকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। আমার দোষ ছিল, আমি কেন সংবাদ সংগ্রহ করছিলাম। আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয় এবং মাথায়ও আঘাত করা হয়।”

প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সদস্যরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

জবি, ঢাকা কলেজ ও আলিয়া মাদ্রাসায় হামলার নিন্দা, গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি ছাত্রশিবিরের

জবি, ঢাকা কলেজ ও আলিয়া মাদ্রাসায় হামলার নিন্দা, গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি ছাত্রশিবিরের

 

রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রশিবির। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ। পরে পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি দাবি করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জকসু নেতা, সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। একই ধরনের হামলার অভিযোগ তোলা হয় ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাতেও।

ছাত্রশিবিরের দাবি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকট সমাধান এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়নকাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করতে চাইলে বাধার মুখে পড়েন। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এতে জকসু নেতাসহ বহু শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরও সেখানে হামলার অভিযোগ করা হয়।

এ ছাড়া ঢাকা কলেজে পূর্বনির্ধারিত একটি কর্মসূচির প্রস্তুতিকালে এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগও তুলে ধরে সংগঠনটি। এসব ঘটনায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে ছাত্রশিবির। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি, প্রক্টর অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা, আহত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের চিকিৎসার ব্যয় বহন, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার আবাসিক হল সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়নকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর।

এদিকে, এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত গণজমায়েত কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।

হাদি হত্যাকাণ্ড বিচ্ছিন্ন নয়, আদর্শকে থামাতে পরিকল্পিত অপচেষ্টা: ঢাবি ভিসি

হাদি হত্যাকাণ্ড বিচ্ছিন্ন নয়, আদর্শকে থামাতে পরিকল্পিত অপচেষ্টা: ঢাবি ভিসি



 ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি একটি আদর্শকে থামিয়ে দেওয়ার পরিকল্পিত অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। 

শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে শহীদ ওসমান হাদির দাফন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন ঢাবি উপাচার্য।

এ সময় ঢাবি উপাচার্য বলেন, শরিফ ওসমান হাদি একটি ব্যক্তির নাম নয়, এটি একটি আদর্শের নাম। এই আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়বে এবং কোনো হত্যাকাণ্ড দিয়ে একে থামিয়ে দেওয়া যাবে না।
এই হত্যাকাণ্ড কোনো সাধারণ অপরাধ নয়। এটি ন্যায়, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানো একটি কণ্ঠকে স্তব্ধ করার চেষ্টা।

হাদি হত্যার ঘটনায় দেশবাসীর মধ্যে যে ক্ষোভ ও শোক তৈরি হয়েছে, সেটিকে ন্যায়বিচারের দাবিতে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, সারা দেশের মানুষ এই হত্যার পূর্ণাঙ্গ বিচার দেখতে চায়।

নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, আমরাও জোর দিয়ে বলছি-এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে হবে।

ঢাবি ভিসি জানান, সরকারিভাবে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এগোচ্ছে এবং ইতোমধ্যে কিছু অগ্রগতিও দৃশ্যমান। তবে কেবল গ্রেপ্তার নয়, দৃষ্টান্তমূলক রায়ই এই ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন