জবিসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের নিন্দা জানাল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ এবং দখলদারিত্বের রাজনীতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের জবি শাখা। একই সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার অবসান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক তৌকির আহমেদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসে হামলা ও দখলদারিত্বের প্রতিবাদে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মিছিল বের করলে সংগঠনটির জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসীবসহ কয়েকজন নেতা-কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংগঠনটির মতে, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাত দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার বহিঃপ্রকাশ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দখলদারিত্ব ও সহিংস রাজনীতির ধারাবাহিকতা, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সবসময় শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংস রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য, ছাত্ররাজনীতির একটি ধারা সন্ত্রাস ও আধিপত্যের, অন্যটি শিক্ষার্থীদের অধিকার, গণতন্ত্র ও মুক্ত শিক্ষাঙ্গন প্রতিষ্ঠার।
এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সৃষ্ট অস্থির পরিবেশের জন্য ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাতকে দায়ী করে নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কোনোভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা উচিত হবে না।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংসতা বন্ধ, সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।