The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিধবার গোডাউন থেকে মালামাল লুটের অভিযোগ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিধবার গোডাউন থেকে মালামাল লুটের অভিযোগ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া এলাকায় এক বিধবার গোডাউন ভেঙে প্রায় ১১ লাখ ৮১ হাজার টাকার মালামাল লুট, চুরি ও জোরপূর্বক দখলের অভিযোগে ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীরা হলো চর চারতলার মৃত নাছির মিয়া ছেলে অপি সওদাগর ওরফে দাউদ মিয়া, মেহেদ হাসান জিহাদ, দিবা আক্তার, সরাইল কুট্রাপাড়ার মৃতু বাচ্চু মিয়ার ছেলে সানু মিয়া,মৃত্যু আব্দুল খালেক এর ছেলে সাজু মিয়া, আবুল ফজর এর ছেলে সাজু মিয়া, জুনাইদ মিয়া,জাবেদ আবেদ ও আব্দুল আলীর ছেলে শরিফ মিয়া, বশির মিয়া মোট আটার জন। মামলার বাদী রুজি আক্তার, মৃত আবদুল হাফিজের স্ত্রী। তিনি সরাইল সদর ইউনিয়নের কুট্টাপাড়া (দর্জীপাড়া) এলাকার বাসিন্দা। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার কুট্টাপাড়া মৌজার বিএস ১১২৩৮ ও এসএ ১১২৩৯ দাগে অবস্থিত একটি গোডাউনে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা তার স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এ নিয়ে অতীতেও বিভিন্ন আদালত, উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি), জেলা প্রশাসক এবং মানবাধিকার সংস্থার কাছে একাধিক অভিযোগ ও মামলা করা হয়েছে। এতে প্রতিকার না পাওয়ার কথাও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ভূমি জরিপসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় বাদী ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল ডিক্রি লাভ করেন। এরপর থেকেই তাকে ওই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা আরও জোরদার হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার কিছুদিন আগে এক আসামি বাদীকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে অন্য আসামিদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে গোডাউনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। বাদীর দাবি, এরপর গোডাউনে থাকা দুটি ব্যাটারি, একটি ৮ হর্সপাওয়ারের হাই-স্পিড পাম্প, একটি রিকন্ডিশন হিনো-৭০০ ইঞ্জিন, ট্রাকের দুটি চাকা, খাট, ফ্যান, লাইট, টিন, কাঠসহ বিভিন্ন মালামাল পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গোডাউনের টিনের চাল, বেড়া, দরজা, জানালা, পিলার ও বৈদ্যুতিক তার খুলেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, খবর পেয়ে বাদী ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। পরে তিনি সরাইল থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও কয়েকজন আসামি ইট, বাঁশ ও মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ দেখে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গোডাউন, সেখানে থাকা মালামাল এবং অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে প্রায় ১১ লাখ ৮১ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জনকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৪৪৭, ৪৪৮, ৪৫১, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৮২, ৫০৬(২), ১১৪ ও ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে আরও দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি আশপাশের লোকজন প্রত্যক্ষ করেছেন এবং নিকটবর্তী একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার কিছু আলামত ধারণ হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এস আই জে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ২০


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় শিশুদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে হামদু মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়ার ছেলে নীরব (১১) ও প্রতিবেশী আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াছিনের (১২) মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইয়াছিন নীরবকে চড় মারলে বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় হামদু মিয়ার আঘাতে ইয়াছিন মাথায় আহত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন হামদু মিয়া। পরে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম রকীব উর রাজা বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় সতর্কতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড: মহাসড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলাই কি অপরাধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড: মহাসড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলাই কি অপরাধ

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড মোড়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চারলেন প্রকল্পের কাজের অবস্থা দেখে প্রশ্ন জাগে, আমরা কি উন্নয়নের সুফল পাবো, নাকি আজীবন এই ভোগান্তিই আমাদের ভাগ্য?
​ভিডিওতে যে নির্মাণকাজ দেখছেন, সেখানে কাজ চলাকালীন অনিয়মের চিত্র স্পষ্ট। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো,
Video Link: https://www.facebook.com/share/r/1DNQc1YYS6/
এই কাজের ভিডিও ধারণ করতে গেলেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের (Repcon) কর্মচারীরা বাধা দিচ্ছেন এবং ক্ষেপে যাচ্ছেন! তারা কিসের ভয়ে বা কেন ভিডিও করতে নিষেধ করছেন—তা সাধারণ মানুষের কাছে এক বড় প্রশ্ন।
​জনগণের টাকায় যে প্রকল্পের কাজ চলছে, সেখানে অস্বচ্ছতা বা অনিয়ম থাকলে তা দেখার অধিকার কি আমাদের নেই? সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, এই প্রকল্পের কাজের গুণমান এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন আচরণের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।

লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

 


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর শহরের শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে হজযাত্রীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় চার ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। 

শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলেও পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর শাহপুর গ্রামের এক বৃদ্ধা হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। সেখানে তার একটি লাগেজ হারিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই হজযাত্রী হারিয়ে যাওয়া লাগেজের বিষয়ে জানতে আড়াইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পরিচালিত ‘কসবা হজ কাফেলা’ ট্রাভেল এজেন্সিতে যান। তখন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হারিয়ে যাওয়া লাগেজের দায়ভার সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীর নিজস্ব বিষয় এবং এ বিষয়ে ট্রাভেল এজেন্সির কিছু করার নেই। এ কথা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, হাতাহাতি হয়। এরপর থেকেই দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

এরই জের ধরে শনিবার সকালে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের শতশত লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের কারণে কদমতলী মোড়সহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ হয়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।

খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। সংঘর্ষকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। তবে বিকাল ৪টায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলছিল বলে জানা গেছে।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনিন সুলতানা বলেন, ‌‘পূর্ববিরোধের জের ধরে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।’

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ঘোষণা রুমিন ফারহানার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ঘোষণা রুমিন ফারহানার

 


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা।

শুক্রবার বিকেলে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর বাজারে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।

তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, আমি যা বলি, তা-ই করি। আমার এলাকার মানুষের সিদ্ধান্তই আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, তবে মার্কা যা-ই হোক না কেন, আমি সরাইল-আশুগঞ্জ থেকেই নির্বাচন করব। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের অধিকাংশ আসনে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হলেও সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ এখনও তাদের প্রার্থীর নাম না জানায় এলাকাটি অভিভাবকহীনতায় ভুগছে।

নিজের রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে জনগণের অধিকার আদায়ে তাঁর ভূমিকা সবার জানা। মূলত তাঁর বাবার অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতেই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন এবং সরাইল ও আশুগঞ্জকে 'মডেল উপজেলা' হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

আগামী ২০২৬ সালে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৫ বছর মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেনি। এবার একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করে তিনি সরকারের প্রতি দুটি দাবি জানান, প্রথমত, নির্বাচনের আগে সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা এবং দ্বিতীয়ত, ৫ আগস্টের পর থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো দ্রুত আইনের আওতায় এনে ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, বিএনপি ইতোমধ্যে দুই দফায় দেশের ২৭২টি আসনে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এখন পর্যন্ত কারো নাম ঘোষণা করা হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাস ধরে এই আসনে রুমিন ফারহানার ধারাবাহিক গণসংযোগ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

 সূত্র : আমার সংবাদ

জয় বাংলা’ স্লোগান ভাইরাল কারনে ফের বহিষ্কার যুবদল নেতা

জয় বাংলা’ স্লোগান ভাইরাল কারনে ফের বহিষ্কার যুবদল নেতা

 


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয়নগরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দেওয়া ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ভাইরাল হওয়ার পর আবারও বহিষ্কারাদেশ পেয়েছেন আল জাবের ওরফে জাবেদ আহমেদ নামে যুবদল নেতা।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর রাতে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদল জানায়জাবেদের বহিষ্কারাদেশই বহাল থাকবে।এর আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়া ও পরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়।বুধবার সন্ধ্যায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে জাবেদসহ কয়েকজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়; কিন্তু কিছুক্ষণ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় জাবেদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ভিডিও।ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে ‘অভিভাবক’ বলে সম্বোধন করছেন এবং বক্তব্য শেষ করছেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে।ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাত ১০টার দিকে যুবদলের পক্ষ থেকে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে জানানো হয়ভুলবশত তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আল জাবের ওরফে জাবেদ আহমেদের বহিষ্কার আদেশ বহাল রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ জুন বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন জাবেদ আহমেদ। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তিনি যুবদলের পদ থেকে বহিষ্কৃত হন। নির্বাচনের পর তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সভাসমাবেশে নিয়মিত যোগ দেন।মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ভুল হয়েছিল, আমাদের তথ্যের একটু ঘাটতি ছিল। তার (জাবেদ) বহিষ্কারাদেশ বহাল থাকবে।

সূত্র: যুগান্তর