The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...
অবশেষে ধর্ষণ মামলা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে খুঁজছে পুলিশ

অবশেষে ধর্ষণ মামলা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে খুঁজছে পুলিশ

১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের বাসিন্দা। তবে কয়েক বছর ধরে তিনি পার্শ্ববর্তী নন্দুরা গ্রামে বসবাস করছিলেন। পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও নির্মাণের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন তিনি। তার ফেসবুক পেজে প্রায় ১৯ লাখ অনুসারী রয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বাড়ির উঠানে রান্নার কাজ করছিলেন। এ সময় তার বাবা বাজারে এবং মা বাড়ির বাইরে ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, সেই সুযোগে রিপন মিয়া তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরিবারের দাবি, ভিডিওতে অভিনয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রিপন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। প্রথমদিকে লোকলজ্জার কারণে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর সোমবার রাতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা শেষে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

সালিশ বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। আইনজীবী ও সচেতন মহলের অনেকে ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের নিষ্পত্তি সালিশের মাধ্যমে করার উদ্যোগকে আইনবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে অভিযুক্ত রিপন মিয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

রিপনের স্ত্রী চম্পা আক্তার দাবি করেছেন, তার স্বামী নিজেকে নির্দোষ বলে জানিয়েছেন এবং অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তও চলমান।

৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন পুলিশ হেফাজতে

৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন পুলিশ হেফাজতে

 

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংঘর্ষের পর চিকিৎসা নিতে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন নতুন ধারা বাংলাদেশের (এনডিবি) ছয় নেতা। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের নিরাপত্তার মধ্যে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, আহত নেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের হেফাজতে নেওয়া নেতারা হলেন—নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ড. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মণ্ডল এবং হরিদাস সরকার।

রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাব্বানী এবং শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন আহত ছয় নেতাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয় পক্ষের আহতরা চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে সেখানে আবারও উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ সময় ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

নতুন ধারা বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ মশাল ও প্রতিবাদ মিছিল চলাকালে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে চিকিৎসার জন্য ঢামেকে গেলে সেখানেও হামলার মুখে পড়েন এবং জরুরি বিভাগে আটকা পড়ে চিকিৎসা নিতে সমস্যায় পড়েন বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশ দাবি করেন, তাদের পক্ষের প্রতিবাদের জেরে নতুন ধারা বাংলাদেশের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। হাসপাতালেও তাদের ওপর হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে মঞ্চ-২৪-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী বলেন, বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে তারা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছেন।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সংঘর্ষের কারণ ও অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জবিসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের নিন্দা জানাল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট

জবিসহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের নিন্দা জানাল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট


 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ এবং দখলদারিত্বের রাজনীতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের জবি শাখা। একই সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার অবসান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক তৌকির আহমেদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসে হামলা ও দখলদারিত্বের প্রতিবাদে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মিছিল বের করলে সংগঠনটির জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসীবসহ কয়েকজন নেতা-কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

সংগঠনটির মতে, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাত দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার বহিঃপ্রকাশ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দখলদারিত্ব ও সহিংস রাজনীতির ধারাবাহিকতা, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সবসময় শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংস রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য, ছাত্ররাজনীতির একটি ধারা সন্ত্রাস ও আধিপত্যের, অন্যটি শিক্ষার্থীদের অধিকার, গণতন্ত্র ও মুক্ত শিক্ষাঙ্গন প্রতিষ্ঠার।

এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সৃষ্ট অস্থির পরিবেশের জন্য ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘাতকে দায়ী করে নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কোনোভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা উচিত হবে না।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সহিংসতা বন্ধ, সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সংঘর্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

জবিতে সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আহত সাংবাদিক কায়েস

জবিতে সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আহত সাংবাদিক কায়েস

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও আজকালের খবর–এর প্রতিবেদক কায়েস।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সকাল থেকে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলাকালে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছিলেন কায়েস। এ সময় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে তিনি আহত হন। পরে সহপাঠী ও সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

আহত সাংবাদিক কায়েস অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন তিনি। এ সময় ছাত্রদলের এক কর্মী তাকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন।

তিনি বলেন, “আমি নিউজ কভার করছিলাম। তখন ছাত্রদলের একজন আমাকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। আমার দোষ ছিল, আমি কেন সংবাদ সংগ্রহ করছিলাম। আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয় এবং মাথায়ও আঘাত করা হয়।”

প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সদস্যরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

জবি, ঢাকা কলেজ ও আলিয়া মাদ্রাসায় হামলার নিন্দা, গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি ছাত্রশিবিরের

জবি, ঢাকা কলেজ ও আলিয়া মাদ্রাসায় হামলার নিন্দা, গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি ছাত্রশিবিরের

 

রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রশিবির। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ। পরে পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি দাবি করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জকসু নেতা, সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। একই ধরনের হামলার অভিযোগ তোলা হয় ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাতেও।

ছাত্রশিবিরের দাবি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকট সমাধান এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়নকাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করতে চাইলে বাধার মুখে পড়েন। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এতে জকসু নেতাসহ বহু শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরও সেখানে হামলার অভিযোগ করা হয়।

এ ছাড়া ঢাকা কলেজে পূর্বনির্ধারিত একটি কর্মসূচির প্রস্তুতিকালে এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগও তুলে ধরে সংগঠনটি। এসব ঘটনায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে ছাত্রশিবির। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি, প্রক্টর অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা, আহত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের চিকিৎসার ব্যয় বহন, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার আবাসিক হল সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়নকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর।

এদিকে, এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত গণজমায়েত কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার অভিযোগ, আহত জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার অভিযোগ, আহত জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন জকসুর প্রতিনিধিরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

জকসু সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসাসেবার উন্নয়নসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের পরিকল্পনা ছিল। ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে এসব দাবি জানাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করেন জকসুর প্রতিনিধিরা।

তাদের অভিযোগ, প্ল্যাকার্ড নিয়ে অডিটোরিয়ামে প্রবেশের সময় বাধা দেওয়া হয়। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা এবং ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে প্ল্যাকার্ড ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং জকসুর প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালানো হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ কয়েকজন প্রতিনিধি অডিটোরিয়ামে প্রবেশের চেষ্টা করলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল তাদের বাধা দেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. কে এ এম রিফাত হাসানকেও ধাক্কা দেওয়া হয় বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

ভিডিওতে আরও শোনা যায়, ছাত্রদল আহ্বায়ককে বলতে, “এই দরজা বন্ধ কর, দ্রুত গেট আটকা।” এরপর মিলনায়তনের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিধবার গোডাউন থেকে মালামাল লুটের অভিযোগ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে বিধবার গোডাউন থেকে মালামাল লুটের অভিযোগ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া এলাকায় এক বিধবার গোডাউন ভেঙে প্রায় ১১ লাখ ৮১ হাজার টাকার মালামাল লুট, চুরি ও জোরপূর্বক দখলের অভিযোগে ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীরা হলো চর চারতলার মৃত নাছির মিয়া ছেলে অপি সওদাগর ওরফে দাউদ মিয়া, মেহেদ হাসান জিহাদ, দিবা আক্তার, সরাইল কুট্রাপাড়ার মৃতু বাচ্চু মিয়ার ছেলে সানু মিয়া,মৃত্যু আব্দুল খালেক এর ছেলে সাজু মিয়া, আবুল ফজর এর ছেলে সাজু মিয়া, জুনাইদ মিয়া,জাবেদ আবেদ ও আব্দুল আলীর ছেলে শরিফ মিয়া, বশির মিয়া মোট আটার জন। মামলার বাদী রুজি আক্তার, মৃত আবদুল হাফিজের স্ত্রী। তিনি সরাইল সদর ইউনিয়নের কুট্টাপাড়া (দর্জীপাড়া) এলাকার বাসিন্দা। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার কুট্টাপাড়া মৌজার বিএস ১১২৩৮ ও এসএ ১১২৩৯ দাগে অবস্থিত একটি গোডাউনে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাদীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা তার স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এ নিয়ে অতীতেও বিভিন্ন আদালত, উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি), জেলা প্রশাসক এবং মানবাধিকার সংস্থার কাছে একাধিক অভিযোগ ও মামলা করা হয়েছে। এতে প্রতিকার না পাওয়ার কথাও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ভূমি জরিপসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় বাদী ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল ডিক্রি লাভ করেন। এরপর থেকেই তাকে ওই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা আরও জোরদার হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার কিছুদিন আগে এক আসামি বাদীকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে অন্য আসামিদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে গোডাউনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। বাদীর দাবি, এরপর গোডাউনে থাকা দুটি ব্যাটারি, একটি ৮ হর্সপাওয়ারের হাই-স্পিড পাম্প, একটি রিকন্ডিশন হিনো-৭০০ ইঞ্জিন, ট্রাকের দুটি চাকা, খাট, ফ্যান, লাইট, টিন, কাঠসহ বিভিন্ন মালামাল পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে গোডাউনের টিনের চাল, বেড়া, দরজা, জানালা, পিলার ও বৈদ্যুতিক তার খুলেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, খবর পেয়ে বাদী ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। পরে তিনি সরাইল থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও কয়েকজন আসামি ইট, বাঁশ ও মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ দেখে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গোডাউন, সেখানে থাকা মালামাল এবং অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে প্রায় ১১ লাখ ৮১ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জনকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৪৪৭, ৪৪৮, ৪৫১, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৮২, ৫০৬(২), ১১৪ ও ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে আরও দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি আশপাশের লোকজন প্রত্যক্ষ করেছেন এবং নিকটবর্তী একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার কিছু আলামত ধারণ হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এস আই জে

এইচএসসি ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে

এইচএসসি ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে


যশোর প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেন রাব্বিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ আগস্ট) তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামি আরাফাত হোসেন রাব্বি চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে যশোর জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহ নেওয়াজ ইমরান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আরাফাত হোসেন রাব্বিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি ও সদস্যসচিব শাহ নেওয়াজ ইমরান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পরিচয়পত্র করে দেওয়ার কথা বলে অভিযুক্ত আরাফাত হোসেন রাব্বি ওই কলেজছাত্রীকে চৌগাছা শহরে নিয়ে যান। পরে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নিরিবিলিপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ ধর্ষণের মামলা রুজু করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার (১ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে আরাফাত হোসেন রাব্বিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালতে পাঠানো হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তসহ অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নরসিংদীর পলাশে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে গুলি ও হামলা, আহত অন্তত ১০

নরসিংদীর পলাশে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে গুলি ও হামলা, আহত অন্তত ১০

 

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) রাতে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসনাহাটা ফকিরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফকিরবাড়ি এলাকার আওলাদ, মহসিন, সানি ও সবজু মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার মাসুম, মামুন ও জয়নাল আবেদীনের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই শনিবার রাতে নতুন করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ঘটনার সময় মাসুম, মামুন, জয়নাল আবেদীনসহ কয়েকজন একটি মুদি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালায়।

হামলায় ছাত্রদল নেতা মাসুম গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ আরও কয়েকজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন।

আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বগুড়ায় এনসিপি নেতাদের ব্যানারে আগুন দিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

বগুড়ায় এনসিপি নেতাদের ব্যানারে আগুন দিয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে বগুড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা ছাত্রদল। বিক্ষোভ শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ছবিসংবলিত একটি ব্যানার ও কুশপুত্তলিকায় আগুন দেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ থেকে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতমাথায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা সাতমাথার সপ্তপদী মার্কেটের ওপর টানানো এনসিপির নেতাদের ছবিসংবলিত ব্যানার নামিয়ে আগুন দেন। এ সময় একটি কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়।

সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান অভিযোগ করেন, এনসিপির কয়েকজন নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, যা জুলাই আন্দোলনের চেতনা ও জাতীয় ঐক্যের পরিপন্থী।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশও অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি এনসিপির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান ছাত্রদলের নেতারা।

বগুড়ায় ট্রাক-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

বগুড়ায় ট্রাক-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪


বগুড়ার কাহালু উপজেলায় একটি ট্রাক ও মাছবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তিনি লুৎফর রহমান। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।

স্থানীয় সূত্র, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের তথ্যমতে, নওগাঁ থেকে মাছ বিক্রি করে একটি পিকআপ বগুড়ার দিকে ফিরছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা নওগাঁগামী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপটির সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রচণ্ড আঘাতে পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই চার আরোহীর মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কাহালু ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. সবুজ হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হলেও অপর তিনজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সেগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ২০


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় শিশুদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে হামদু মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়ার ছেলে নীরব (১১) ও প্রতিবেশী আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াছিনের (১২) মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইয়াছিন নীরবকে চড় মারলে বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় হামদু মিয়ার আঘাতে ইয়াছিন মাথায় আহত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন হামদু মিয়া। পরে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম রকীব উর রাজা বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় সতর্কতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বোমা আতঙ্কে মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশন সাময়িক বন্ধ

বোমা আতঙ্কে মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশন সাময়িক বন্ধ

 


বোমা আতঙ্কে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চক্করের মেট্রো স্টেশন সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর থেকে বন্ধ রাখা হয়।





বিস্তারিত আসছে...


নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

নাসীরুদ্দীন-সারজিসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

 

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা, হামলা, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপিও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছিল। ফলে ঘটনাটি ঘিরে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই বিকেলে হবিগঞ্জ পৌরসভার কোর্ট মসজিদ এলাকায় এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শোকসভায় অংশ নিতে গেলে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাহবুবুল বারী চৌধুরীসহ অভিযুক্তরা হামলা চালান। এতে জেলা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, সংঘর্ষের সময় কয়েকটি আইফোন, একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

মামলার নামীয় আসামিরা হলেন—নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, নুর আলম চৌধুরী, ফখরুল জাকির, আ. হাই কামাল, রুহাম গাজী, মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরী।

অন্যদিকে, একই ঘটনার পর এনসিপিও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। দলটির দাবি, ২৮ জুলাই পদযাত্রা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে ছাত্রদলের হামলায় সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের একজন একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। একই ঘটনায় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও করা হয়।

এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও সারজিস আলম নিরাপত্তার জন্য একটি ভবনে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায় এবং পুলিশি নিরাপত্তায় মৌলভীবাজারে পৌঁছে দেয়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এদিকে, জেলা ছাত্রদলের নেতারাও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের দায়ের করা পাল্টাপাল্টি মামলা ও অভিযোগ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

১০ হাজার টাকার পাওনা ফেরত চাওয়ায় ডেকে নিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার স্বামী-স্ত্রী

১০ হাজার টাকার পাওনা ফেরত চাওয়ায় ডেকে নিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার স্বামী-স্ত্রী

 

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার বড় মগবাজার এলাকায় মাত্র ১০ হাজার টাকা পাওনা আদায় করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন মো. রাজু (৪৮) নামে এক সবজি বিক্রেতা। এ ঘটনায় তার পরিচিত ব্যবসায়ী বজলুর রহমান ও তার স্ত্রী সাথী আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের তথ্যমতে, বরিশালের কাঁঠালিয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. রাজু দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে সবজি ব্যবসা করতেন। একসময় বড় মগবাজার এলাকায় বজলুর রহমানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে বজলুরের কাছে রাজুর ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। দীর্ঘদিন টাকা ফেরত না পাওয়ায় তিনি বারবার তা দাবি করছিলেন।

পরিবারের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে রাজুকে বড় মগবাজারের একটি বাসায় ডেকে নেন বজলুর রহমান। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় অভিযুক্তরা প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোন্তারছির বিল্লাহ জানান, ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। বুধবার রাতে এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে বজলুর রহমান ও তার স্ত্রী সাথী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে রাজুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তার বোন শাহানা বেগম মরদেহ গ্রামের বাড়ি বরিশালের কাঁঠালিয়া উপজেলায় নিয়ে যান।

শাহানা বেগম বলেন, “আমার ভাই অনেক দিন ধরে ১০ হাজার টাকা পাওনা আদায়ের জন্য চেষ্টা করছিল। টাকা দেওয়ার কথা বলে তাকে বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। পরে জানতে পারি, সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

স্বজনদের ভাষ্য, রাজু এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। প্রায় সাত-আট বছর আগে তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সন্তানদের লালন-পালনের দায়িত্ব একাই পালন করছিলেন। সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা রাজুর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

সরকারি জমি দখলের অভিযোগে পূর্বধলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

সরকারি জমি দখলের অভিযোগে পূর্বধলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

 

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জায়গা দখল, গাছ কেটে ফেলা এবং অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সদরের খাদ্য গুদাম রোড এলাকার ‘রোজ মেডিক্যাল হল’-এর মালিক শাহীন তালুকদারের বিরুদ্ধে।

গত ২২ জুলাই উপজেলা সদরের পাটবাজার এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা মামুন এ অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালে তৎকালীন সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পূর্বধলা বাজারের মুরগি মহালসংলগ্ন সরকারি জায়গার দুটি গাছ কেটে ফেলা হয়। পাশাপাশি সরকারি জমির একটি অংশ দখল করে নিজের বসতবাড়ির দেয়ালের একাংশ ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করেন শাহীন তালুকদার।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ জানালে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয় থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়। এ সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রতিবাদকারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে এবং অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা অপসারণে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তারা সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহীন তালুকদার। তিনি বলেন, “আমি আমার নিজস্ব জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করছি। সেখানে ছোট ছোট জিগার গাছ ছিল, সেগুলো কেটেছি। তদন্তে যদি প্রমাণ হয় যে আমার নির্মাণাধীন বাড়ি সরকারি জমির ওপর রয়েছে, তাহলে আমি নিজেই সেটি ভেঙে ফেলব।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রাজধানীসহ ১৩ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

রাজধানীসহ ১৩ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

 

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৩টি অঞ্চলে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এ পূর্বাভাস কার্যকর থাকবে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

নৌযান চালক, জেলে এবং নদীপথ ব্যবহারকারীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

 

হবিগঞ্জে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। বুধবার (২৯ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির ‘জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ ওঠে। এনসিপির দাবি, এ ঘটনায় তাদের কয়েকজন নেতা-কর্মী এবং কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় এনসিপি। দলটির দপ্তর সেলের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হবিগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে দেশের মহানগর, জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে।

এনসিপির অভিযোগ, কর্মসূচি শেষে ফেরার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের গাড়িবহরে হামলা চালায়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হল এলাকার কাছে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসন পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ভারত পালানোর চেষ্টাকালে আটক ‘ডেভিড ইমন’, চট্টগ্রামে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ

ভারত পালানোর চেষ্টাকালে আটক ‘ডেভিড ইমন’, চট্টগ্রামে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ

 

চট্টগ্রামের আলোচিত অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ মোবারক হোসেন ওরফে ‘ডেভিড ইমন’কে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের দাবি, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ধুমধুমপুর সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে বুধবার গভীর রাতে তাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) নাজিমুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান চলছিল। যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে চট্টগ্রামে নেওয়া হবে। সেখানে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ডেভিড ইমনকে ধরতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে ফটিকছড়ি উপজেলাসহ কয়েকটি স্থানে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার এবং কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি পুলিশের।

অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হক বলেন, "চট্টগ্রামকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ডেভিড ইমনের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও অভিযান চলবে এবং তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।"

পুলিশের দাবি, ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, সশস্ত্র হামলা, আধিপত্য বিস্তার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায়ও তার নাম সামনে আসে। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, ডেভিড ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র, অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ, চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক এবং পলাতক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, চট্টগ্রামে সক্রিয় অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ডেভিড ইমনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য পলাতক ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

বিয়ের তিন দিন পর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন যুবক

বিয়ের তিন দিন পর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন যুবক

 

নোয়াখালীর সেনবাগে বিয়ের মাত্র তিন দিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. আল আমিন (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে সেনবাগ-সোনাইমুড়ী সড়কের কুটিরবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আল আমিন উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ছাতারপাইয়া পশ্চিম-দক্ষিণপাড়া গ্রামের রশিদ বেপারী বাড়ির আব্বাস ক্বারির ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, আল আমিন বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ছাতারপাইয়া বাজারে একটি ওষুধের দোকান পরিচালনা করতেন। গত সোমবার পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বৃহস্পতিবার রাতে মোটরসাইকেলে করে সোনাইমুড়ী থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুটিরবাড়ি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত মুরগিবাহী অটোরিকশার সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত আল আমিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।