The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...
‘আমি যেন গর্ব করে বলতে পারি আসিফ আমার ছেলে’

‘আমি যেন গর্ব করে বলতে পারি আসিফ আমার ছেলে’

 


‘আন্দোলনের প্রথমে বাধা দিয়েছিলাম। যেন বের না হয়। সে আমার কথা শুনেনি। বললাম, এত কষ্ট করে পড়াশোনা করালাম ভালো চাকরি করো, মানুষের মত মানুষ হও। তুমি আন্দোলনে গিয়ে আমার স্বপ্ন শেষ করিও না। সে আমাকে বলেছিল দোয়া করতে৷কিছু করার ছিল না। আমি প্রতিবেলা নামাজে তার জন্য দোয়া করতাম। তার মাও দোয়া করতো, কান্নাকাটি করতো। আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন। এখন আল্লাহ তার শ্রম ও সততার পুরষ্কার দিয়েছেন। অন্তবর্র্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হয়েছেন। ’

বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এসব কথা বলেন অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাবা মো. বিল্লাল হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকে আসিফ মিশুক ও অধিকার সচেতন। তার নেতৃত্ব দেয়ার আলাদা গুণ লক্ষ্য করেছি। সে যেখানেই গেছে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু কখনই কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। 

তিনি বলেন, ছেলেকে সৎ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। কখনই দুর্নীতির শিক্ষা দেয়নি। আমরা আজ গাড়ি ভাড়া করে এসেছি। আমি চাই আমার ছেলেও যখন উপদেষ্টা থাকবে না তখন যেন গর্ব করে বলতে পারে আমি দুর্নীতি করিনি। আজ যেমন পাঞ্জাবি, টি-শার্ট পরে বঙ্গভবনে গেছে সে যেন এমনই সাধারণ থাকে। আমার ছেলের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বাংলার ইতিহাস মনে রাখবে এটা আমার বিশ্বাস আছে। আর আমিও যেন গর্ব করে বলতে পারি আসিফ আমার ছেলে। তার কোনো দুর্নীতি নেই। 

জানা গেছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকবপুর ইউনিয়নের আকবপুর গ্রামের মো. বিল্লাল হোসেন ও রোকসানা আক্তার দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। আসিফের বাবা আকবপুর ইয়াকুব আলী ভূইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বড় বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে স্বামীসহ জাপানে আছেন। তৃতীয় বোন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। আর ছোট বোন রাজধানীর হলিক্রস কলেজে পড়াশোনা করছেন। 

জানা গেছে, আসিফ ২০১৩ সালে কুমিল্লার আকবপুর ইয়াকুব আলী ভূইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণি পাস করেন। পরে ঢাকার তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়া এলাকার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর চলে যান ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। সেখানে উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করেন তিনি। সব ক্লাসেই ভালো ফল পাওয়া আসিফ প্রথম বারেই চান্স পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগে। 

তার এই সফলতার খবরে শুক্রবার উপজেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। মসজিদে মসজিদে তার জন্য দোয়া ও মিষ্টি বিতরণ করছে স্থানীয় জনতা। অনেকে আসছেন তার বাড়ি ঘর দেখতে। 

বিডি প্রতিদিন

ডিবি হারুন কে এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

ডিবি হারুন কে এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী



ডিবি হারুন কে এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী

এই মাত্র ডিবি হারুন পালাতে গিয়ে এয়ার পোর্টে সেনাবাহিনী তাকে দেশ ছাড়তে দেননি এবং তাকে দেশ ত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ধন্যবাদ সেনাবাহিনী।



বিস্তারিত আসছে

শেরপুর কারাগারে হামলা, পালালো ৫২৮ আসামি

শেরপুর কারাগারে হামলা, পালালো ৫২৮ আসামি

 


শেরপুরে জেলা কারাগারে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জেলা কারাগারে আটক থাকা ৫২৮ বন্দির সবাই পালিয়ে গেছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া সকাল থেকেই সরকারি-বেসরকারি অফিস- স্থাপনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বন্দি পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কারাগারে থাকা ৫২৮ আসামি পালিয়ে গেছে।

দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনকারীরা শেরপুর সদর থানায় অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় সকল পুলিশ সদস্য অষ্টমীতলায় পুলিশ লাইনসে আশ্রয় নেয়। আন্দোলনকারীরা খোঁজ করে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ছানু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমানের বাসভবন ও অফিসে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বেগম শামছুন্নাহার কামাল প্রতিষ্ঠিত আইডিয়াল স্কুলে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এছাড়াও বাটা ও অন্যান্য জুতা ও বইয়ের দোকানে লুটপাট চালায়। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান উৎপলের আলীশান রেস্টুরেন্টে অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়া শহরের গোপালবাড়ী এলাকায় ডিসি কোয়ার্টার, নিউ মার্কেট এলাকায় সদর এএসপি (সার্কেল) অফিসেও অগ্নিসংযোগ করে।

ইত্তেফাক

আবু সাঈদদের রক্তে ভিজে এলো যে বিজয়

আবু সাঈদদের রক্তে ভিজে এলো যে বিজয়

 


'মাগো ভাবনা কেন/আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে/ তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি/ তোমার ভয় নেই মা/ আমরা প্রতিবাদ করতে জানি। আমরা হারবো না/ তোমার মাটির একটি কণাও ছাড়ব না/ আমরা পাঁজর দিয়ে দুর্গ ঘাটি গড়তে জানি/ তোমার ভয় নেই মা/ আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।' গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা আর হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গলায় ও সুরে গাওয়া দেশাত্মবোধক গানটি বাঙালিমাত্রেরই জানা। ১৯৬১ সালে প্রথম প্রচারিত হওয়া এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের দারুণ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।

এবার বাংলাদেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন জুড়েও লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল শাশ্বত এই গানটি। কোটা সংস্কারের ন্যায্য দাবি নিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত ৫ জুলাই।

নানা ঘটনা-অঘটন আর হত্যাযজ্ঞ ও রক্ত মাড়িয়ে সরকারের পদত্যাগের চূড়ান্ত এক দফার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের গড়া আন্দোলনটি হয়ে ওঠে গণঅভ্যুত্থান। আন্দোলনের অকুতোভয় সমন্বয়কদের দুর্বার সাহস আর দেশপ্রেমে ভর করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার মধ্য দিয়ে পূর্ণ সফলতা অর্জন করে অভূতপূর্ব এই আন্দোলন। হাজারো গুলি, হত্যা, হামলা- মামলা, গ্রেফতার, টিয়ারগ্যাস, রাবার বুলেট, ছররা গুলি আর সাউন্ড গ্রেনেডও পিছু হটাতে পারেনি অধিকার আদায়ের ন্যায্য দাবিতে অটল থাকা শিক্ষার্থীদের। জনতার কাছে তারা পেয়েছেন বীরের মর্যাদা।

সফল এই আন্দোলনে বড় ধরনের বাঁক বদল ঘটে ১৬ জুলাই রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায়। দুই হাত দুই দিকে টান টান প্রসারিত করে বুক পেতে দিয়ে সাঈদ বলেছিল, 'গুলি আন্দোলনকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বিজয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছেন আবু সাঈদ। 

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু থেকে বিজয় অর্জন পর্যন্তই যেন 'মাগো ভাবনা কেন' গানেরই কথা দিয়ে গাঁথা। বাঁচতে শুধু জানবো না/ আমরা চিরদিনই হাসি মুখে মরতে জানি/ তোমার ভয় নেই মা/ আমরা প্রতিবাদ করতে করো'। পুলিশ তার বুকে গুলি চালিয়ে নিমর্মভাবে হত্যা করে। এই দৃশ্য মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে দেশে-বিদেশে। যারাই এই হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখেছেন কেউই মানতে পারেননি, চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। সাঈদের মৃত্যু যেই গানটিতে আরো রয়েছে- 'আমরা অপমান সইব না/ ভীরুর মত ঘরের কোণে রইব না/ আমরা আকাশ থেকে বজ্র হয়ে ঝড়তে জানি/ তোমার ভয় নেই মা/ আমরা প্রতিবাদ করতে জানি/আমরা পরাজয় মানব না/ দুর্বলতায় জানি/মাগো ভাবনা কেন।'

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শুরু থেকেই ছিল অহিংস ও শান্তিপূর্ণ। ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, 'মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কোটা পাবে না তো কী রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে?' তার এই মন্তব্যে মর্মাহত ও অপমানিত বোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ঐ দিনই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে স্লোগান দেন, 'চাইতে আসলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার', 'তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার, কে বলেছে কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার'।

পরদিন ১৫ জুলাই ওবায়দুল কাদের এক বক্তব্যে বলেন, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঔদ্ধত্বের জবাব দিতে ছাত্রলীগ প্রস্তুত'। এর কয়েক ঘণ্টার মাথায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলে পড়ে ছাত্রলীগ। শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ছাত্রলীগ রক্তাক্ত করে তোলে। এরপর ক্যাম্পাসে নামানো হয় পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবিকে।

প্রতিবাদে পরদিন ১৬ জুলাই সারা দেশে শিক্ষাঙ্গনে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। সেদিনই রংপুরে আবু সাঈদসহ ছয় জন হত্যার শিকার হন। এতে আরো ঘোলাটে হয় পরিস্থিতি। ১৮ জুলাই সারা দেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির ডাক দেন শিক্ষার্থীরা। সেদিন রাজধানীর বাড্ডা ও উত্তরায় সংঘাতে বেশ কয়েক জন শিক্ষার্থী নিহত হন। পরের তিন-চার দিন ধরে চলে সংঘর্ষ। এ সময়ে শিক্ষার্থীসহ নিহত হন প্রায় ৩০০ জন। এরপর কারফিউ জারি করা হয়। শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে লাখ লাখ ছাত্র-জনতার সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম সরকারের পদত্যাগের এক দফা ঘোষণা করেন। এক দফা আদায়ে ঘোষণা করা হয় অসহযোগ আন্দোলনের। এই কর্মসূচি চলাকালেই রবিবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত-সংঘর্ষে শতাধিক লোক নিহত হন। এরমধ্যেই 'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচির তারিখ পরিবর্তন করে একদিন এগিয়ে এনে মঙ্গলবারের পরিবর্তে গতকাল সোমবার পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। আর গতকালই পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা, বিজয়ের পতাকা ওড়ান ছাত্র-জনতা।

ইত্তেফাক

বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য: শাহবাগে সমন্বয়ক নাহিদ

বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য: শাহবাগে সমন্বয়ক নাহিদ

 


আওয়ামী লীগ দেশে একটা গৃহযুদ্ধ তৈরি করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও গন্তব্য পরিষ্কার। বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য।

আমরা এখনো সময় দিচ্ছি। সরকার যদি এখনো সহিংসতা চালিয়ে যায়, আমরা কিন্তু গণভবনের দিকে তাকিয়ে আছি। শেখ হাসিনাকে ঠিক করতে হবে, এখনো সহিংসতা চালাবেন, রক্তপাত চালাবেন, নাকি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে পদত্যাগ করবেন।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে আজ রোববার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগ মোড়সহ আশপাশের এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। বেলা তিনটার দিকে শাহবাগে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে দেশকে একটা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ছাত্র-জনতা যেকোনো মুহূর্তের জন্য প্রস্তুত। আজকে লাঠি তুলে নিয়েছি। যদি লাঠিতে কাজ না হয়, আমরা অস্ত্র তুলে নিতে প্রস্তুত। আপনারা প্রতিরোধ করুন, রুখে দাঁড়ান, সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশছাড়া করতে হবে।

আমাদের এক দফা দাবি ঘোষণা হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা ঘোষণা বাকি। আমাদের যদি গুম–খুন করা হয়, গ্রেপ্তার করা হয়, যদি ঘোষণা দেওয়ার মতো কেউ না থাকে, আপনারা আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।’

হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আর যদি আমার ভাইদের বুকে গুলি করা হয়, আমার বোনদের কেউ আহত হয়, আমরা বসে থাকব না। পাড়ায়–পাড়ায়, গ্রামে–গ্রামে, মহল্লায়–মহল্লায়, অলিতে–গলিতে প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটি গঠন করুন। যেখানেই হামলা হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। আমরা এই সরকারকে মানি না। এখন থেকে দেশের নেতৃত্ব দেবে ছাত্র-জনতা। ছাত্র-জনতার ঘোষণা চূড়ান্ত ঘোষণা।’

সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা এই খুনি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিচার নিশ্চিত করব এই বাংলার মাটিতে। পুনরায় মুঠোফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র এবার কোনো কাজে লাগবে না। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হলেও আমরা রাজপথে থাকব।’

সরকারের পদত্যাগের এই আন্দোলনে আগামীকাল সোমবার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

Bangladesh anti-government protests kill 105

Bangladesh anti-government protests kill 105

 


At least 90 people were killed in Bangladesh on Sunday, amid worsening clashes between police and anti-government protesters.

The unrest comes as student leaders have declared a campaign of civil disobedience to demand that Prime Minister Sheikh Hasina step down.

Thirteen police officers were killed when thousands of people attacked a police station in the district of Sirajganj, police said.

The student protest started with a demand to abolish quotas in civil service jobs last month, but has now turned into a wider anti-government movement.

Both police and some supporters of the governing party were seen shooting at anti-government protesters with live ammunition. Police also used tear gas and rubber bullets.

The total death toll since the protest movement began in July now stands at over 280.

A nationwide overnight curfew has been in place since 18:00 (12:00 GMT).

Amid calls for her resignation, Ms Hasina sounded defiant. Speaking after a meeting with security chiefs, she said the protesters were "not students but terrorists who are out to destabilise the nation".

On Sunday, Law and Justice Minister Anisul Huq told the BBC’s Newshour programme that authorities were showing “restraint”.

“If we had not shown restraint, there would have been a bloodbath. I guess our patience has limits,” he added.

In the capital, Dhaka, access to internet on mobile devices has been suspended.

Deaths and injuries have been reported across the country, including the northern districts of Bogra, Pabna and Rangpur.

Thousands of people gathered in a main square in Dhaka and there have been violent incidents in other parts of the city.

“The whole city has turned into a battleground,” a policeman, who asked not to be named, told the AFP news agency. He said a crowd of several thousand protesters had set fire to cars and motorcycles outside a hospital.

Asif Mahmud, a leading figure in the nationwide civil disobedience campaign, called on protesters to march on Dhaka on Monday.

"The time has come for the final protest", he said.

Students Against Discrimination, a group behind the anti-government demonstrations, urged people not to pay taxes or any utility bills.

The students have also called for a shutdown of all factories and public transport.


Around 10,000 people have been reportedly detained in a major crackdown by security forces in the past two weeks. Those arrested included opposition supporters and students.

Some ex-military personnel have expressed support for the student movement, including ex-army chief General Karim Bhuiyan, who told journalists: “We call on the incumbent government to withdraw the armed forces from the street immediately.

He and other ex-military personnel condemned "egregious killings, torture, disappearances and mass arrests".

The next few days are seen as crucial for both camps.

The protests pose a momentous challenge to Ms Hasina, who was elected for a fourth consecutive term in January elections, boycotted by the main opposition.

Students took to the streets last month over a quota that reserved one third of civil service jobs for relatives of the veterans of Bangladesh’s independence war with Pakistan in 1971.

Most of the quota has now been scaled back by the government following a government ruling, but students have continued to protest, demanding justice for those killed and injured. Now they want Ms Hasina to step down.

Supporters of Ms Hasina have ruled out her resignation.

Earlier, Ms Hasina offered unconditional dialogue with the student leaders, saying she wanted the violence to end.

“I want to sit with the agitating students of the movement and listen to them. I want no conflict," she said.

But the student protesters have rejected her offer.

Ms Hasina called in the military last month to restore order after several police stations and state buildings were set on fire during the protests.

The Bangladeshi army chief, Gen Waker-Uz-Zaman, held a meeting with junior officers in Dhaka to assess the security situation.

“The Bangladesh army has always stood by the people and will continue to do so for the interest of people and in any need of the state," Gen Zaman said, according to a release by the Inter Services Public Relation Directorate.

Bangladeshi media say most of those killed in last month’s protests were shot dead by police. Thousands were injured.

The government argues that police opened fire only in self-defence and to protect state properties.

Asia
Bangladesh
Sheikh Hasina

BBC NEWS ENGLISH

ছাত্র আন্দোলনের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ এক দিন এগিয়ে সোমবার

ছাত্র আন্দোলনের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ এক দিন এগিয়ে সোমবার

 


সরকারের পদত্যাগের এক দাবিতে চলমান অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে ঘোষণা করা দুই দিনের নতুন কর্মসূচিতে একটু পরিবর্তন এনেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী- সোমবার (৫ আগস্ট) নারী ও শ্রমিক সমাবেশ এবং মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল শিক্ষার্থীদের। তবে লং মার্চ টু ঢাকা মঙ্গলবারের (৬ আগস্ট) পরিবর্তে সোমবার (৫ আগস্ট) করা হয়েছে।আজ রোববার বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে আমাদের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ৬ আগস্ট থেকে পরিবর্তন করে ৫ আগস্ট করা হলো। অর্থাৎ আগামীকালই সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আজ প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-জনতার প্রাণহানি হয়েছে। চূড়ান্ত জবাব দেয়ার সময় এসে গেছে। বিশেষ করে আশপাশের জেলাগুলো থেকে সবাই ঢাকায় আসবেন এবং যারা পারবেন আজই ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে যান। ঢাকায় এসে মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা রাজপথগুলোতে অবস্থান নিন।’

আসিফ মাহমুদ আরো বলেন, ‘চূড়ান্ত লড়াই, এই ছাত্র নাগরিক অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত স্বাক্ষর রাখার সময় এসে গেছে। ইতিহাসের অংশ হতে সকলে ঢাকায় আসুন। যে যেভাবে পারেন কালকের মধ্যে ঢাকায় চলে আসুন। ছাত্র-জনতা এক নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটাব।’

এর আগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, সরকারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান অসহযোগ আন্দোলন সফল করার লক্ষ্যে সোমবার সারাদেশে শহীদদের স্মরণে শহীদ হওয়ার স্থানসমূহে শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচন করা হবে। এদিন বেলা ১১টায় শাহবাগে শ্রমিক সমাবেশ এবং বিকেল ৫টায় শাহবাগে নারী সমাবেশ হবে। এছাড়া সারাদেশে বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান কর্মসূচি করবেন শিক্ষার্থীরা।

এতে আরো বলা হয়, এ কর্মসূচি অনুযায়ী সারাদেশের ছাত্র, নাগরিক, শ্রমিকসহ সব পেশাজীবীদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই দিন দুপুর ২টায় শাহবাগে গণজমায়েত কর্মসূচি করবেন তারা।

এছাড়া সব পাড়া-মহল্লা, গ্রাম, উপজেলা, জেলায় ছাত্রদের নেতৃত্বে সংগ্রাম কমিটি গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

চলমান এ কর্মসূচির মধ্যে যদি ইন্টারনেট শাটডাউন করে ক্র্যাকডাউন চালানো হয়, তবুও নতুন কমিটি করে সরকার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার শঙ্কা, তাদের রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলুন

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার শঙ্কা, তাদের রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলুন

 


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বান 

 যারা ঢাকায় আসতে পারবেন না, তারা বিভিন্ন জেলায় আমাদের হিন্দু এবং সংখ্যালঘু ধর্মীয় ভাইবোনদেরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন অবশ্যই। কেননা আমাদের আন্দোলনকে বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা ও পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন।

রোববার সমন্বয়কদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এই বার্তা পাঠান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক অয়ন।

পরে ভিডিও প্রকাশ করে একই বার্তা দেন প্ল্যাটফর্মটির আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দায় চাপাতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সমন্বয়করা।

এমন শঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেছেন, সোমবারের লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে যারা ঢাকায় আসতে পারবেন না তাদেরকে নিজ এলাকায় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আব্দুল্লাহ সালেহীন অয়ন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘যারা ঢাকায় আসতে পারবেন না, তারা বিভিন্ন জেলায় আমাদের হিন্দু এবং সংখ্যালঘু ধর্মীয় ভাইবোনদেরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন অবশ্যই।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমাদের আন্দোলনকে বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা এবং পরিকল্পনা চলছে। এত রক্ত ঝরার পর এই আন্দোলন কোনোভাবেই থামতে দেয়া দেয়া যাবে না। আর আগামীকাল চলে আসুন ঢাকায়, সব ধরনের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে। বিজয় সুনিশ্চিত।’

ভিডিও বার্তায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আগামীকাল আপনারা যারা লংমার্চের কর্মসূচির জন্য ঢাকায় আসতে পারবেন না, আপনাদের দায়িত্ব হচ্ছে নিজ এলাকায় বা আশপাশে যারা সংখ্যালঘু রয়েছেন তাদেরকে নিরাপত্তা দেওয়া। যাতে করে রাষ্ট্রীয় কায়দায় কোনো সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন করে সেটির দায়ভার ছাত্র-জনতার ওপর চালাতে না পারে।’

তিনি বলেন, ‘আজকের এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আমাদের পরিচয় মুসলিম, হিন্দু, খ্রীষ্টান বা শিখ নয়। আমাদের সবার দুটি পরিচয়৷ একটি হলো আমরা সবাই মানুষ আর দ্বিতীয়টি হলো আমরা সবাই নির্যাতিত। আর আমাদের এই আন্দোলন নির্যাতকদের বিরুদ্ধে, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন ‘তাই আমাদের এক দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে। আপনারা নিশ্চিত করবেন, আগামীকাল লংমার্চে ঢাকায় এসে সন্নিকটে থাকা বিজয় এবং জনগণের অভ্যুত্থান নিশ্চিত করবেন।’

সারা দেশে ১৪ পুলিশ নিহত, আহত ৩ শতাধিক

সারা দেশে ১৪ পুলিশ নিহত, আহত ৩ শতাধিক

 


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি ঘিরে দিনভর সংঘাত-সংঘর্ষে সারা দেশে ২৭ থানা ও ফাঁড়ি ভাঙচুর হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। দপ্তরটির তথ্যমতে এ সময় তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। 

এছাড়া হামলায় সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ১৩ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। 

আক্রান্ত থানা, ফাঁড়িগুলো হলো-ডিএমপির যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানা, টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা, বগুড়ার সদর, দুপচাঁচিয়া ও শেরপুর থানা এবং নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি, জয়পুরহাট সদর থানা, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা, রংপুরের গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা, পীরগঞ্জ ও বদরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশুগঞ্জ থানা, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর থানা, হবিগঞ্জের মাধবপুর ফাঁড়ি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিস, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং দিনাজপুর সদর থানা।

আগামীকাল সকাল ৯ টার মধ্যে রাস্তা দখলে নিতে হবে (Asif Mahmud) বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

আগামীকাল সকাল ৯ টার মধ্যে রাস্তা দখলে নিতে হবে (Asif Mahmud) বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

 


আগামীকাল সকাল ৯ টার মধ্যে রাস্তা দখলে নিতে হবে।  তাহলে ঢাকার বাইরের সকল জনতার জন্য এসেই যোগ দিতে সুবিধা হবে। অন্যথায় ঢাকার বাইরের জনতা হুট করে খালি ময়দানে এসে বিপদে পড়তে পারে।  


ভাইয়েরা আজকের মতো ঘুমিয়ে পড়তে অনুরোধ করবো।  রেস্টের দরকার আছে। আমরা জানিনা আগামীকালের পর আমরা ঘুমাতে পারবো কিনা , কিংবা আদৌ চিরতরে ঘুমিয়ে পড়ি কিনা।  


সবাই একে অপরকে ক্ষমা করে দিয়েন। কখনো আপনাদের  মনে আঘাত দিয়ে থাকলে আমাদের পুশাব টিমকেও ক্ষমা করুন।  শহীদের মিছিলে হয়তো দেখা হলে পরিচয় দিবো।  বেঁচে থাকলে আজীবন যেন নিঃস্বার্থে ন্যায়ের জন্য লড়ে যেতে পারি সেই পার্থনাটুকু চাই  । 


Asif Mahmud

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন

—Team PUSAB

🚨নির্দেশনা 🚨 সমন্বয়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

🚨নির্দেশনা 🚨 সমন্বয়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন



 🚨নির্দেশনা 🚨


লংমার্চ টু ঢাকা  - ঢাকার সকল উপজেলা ও জেলা সমূহের জন্য । 


🚨দোহার-নবাবগঞ্জ : আপনারা বাস না পেলে সি এন জি -অটোরিক্সা , বাইকে করে মোহাম্মদপুর বছিলা দিয়ে ঢাকায় ঢুকার চেস্টা করবেন ।  এখানে  আমাদের শক্ত অবস্থান থাকবে । 


🚨কেরানীগঞ্জ বাসী আপনারা যেই ভাবে পারেন দরকার হলে পায়ে হেটে বাবু বাজার ব্রিজ দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবেন । এবং শাহাবাগ - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এগিয়ে যাবেন 


🚨 নারায়ণগঞ্জ বাসী এইবার আপনাদের পালা , আপনারা হচ্ছেন আরেক ঢাকাইয়া । আশা করি আপনাদের সবচেয়ে কাছে পাবো ।  এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে অগ্রসর হবেন। 


রূপগঞ্জ বাসীকে অনুরোধ করবো ৩০০ফিট  দিয়ে বসুন্ধরা গেটে শিক্ষার্থীদের সাথে মিলিত হবেন। 


🚨মুন্সিগঞ্জ সদর : মুন্সিগঞ্জ বাসী আপনাদের আজকের রক্তের প্রতিশোধ নিতেই হবে । বিশেষ করে হরগঙ্গা কলেজের প্রতি অনুরোধ , আপনারা নদী পার হয়ে নারায়ণগঞ্জ বাসীর সাথে একসাথে ঢাকায় প্রবেশ করুন কিংবা লঞ্চ ট্রলারে করে সদরঘাট চলে আসুন  ।  একসাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - শাহাবাগে আসবেন। 


🚨 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর সিরাজদিখান : আপনারা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেস ওয়ে দিয়ে বাস , সি এন জি , বাইক কিংবা পায়ে হেটে পোস্তগোলা পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ করুন । এবং শাহাবাগের দিকে অগ্রসর হবেন। 


🚨 মানিকগঞ্জ : আপনারা সাভার - নবীনগর বাসীর সাথে মিলিত হয়ে আমিন বাজার ব্রিজ দিয়ে প্রবেশ করবেন। গাবতলী তে জাহাঙ্গীর নগর এর শিক্ষার্থীদের সাথে মিলিত হবেন। 


🚨 গাজীপুর  : আপনারা আব্দুল্লাহপুর দিয়ে প্রবেশ করে ১১ টায় উত্তরায় শিক্ষার্থী দের সাথে মিলিত হবেন। টংগী জয়দেবপুর বাসীকে বিশেষ অনুরোধ থাকবে । 


🚨 নরসিংদী  : আপনারা রিক্সা , সি এন জি ভেঙ্গে ভেঙে টংগী স্টেশন রোড অথবা কেউ ডেমরা দিয়ে প্রবেশ করুন। 


সাভার-নবীনগর, ধামরাই আপনারা গাবতলী তে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে মিলিত হবেন । 


আপনারা ঢাকা আসেন , পরবর্তী গন্তব্য আমরা জানি ।  


এই বার্তা শুধু শিক্ষার্থীদের প্রতি নয়, সকল দেশবাসীর প্রতি , আপনারা বেরিয়ে পড়ুন , জনস্রোত আপনাদেরকে গন্তব্যে নিয়ে যাবে । 


"চলো সবাই ঢাকা চলো , বাংলাদেশ রক্ষা করো"

মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশ

মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশ

 


 

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর সেকশন মোড়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সমাবেশ করছেন।

আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, সমাবেশে কয়েক শ মানুষের উপস্থিত রয়েছে। সমাবেশের কারণে সড়ক বন্ধ থাকায় যানবাহন অন্য রাস্তার দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।বেলা সাড়ে ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নেতারা সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন।

আওয়ামী লীগ গতকাল রাজধানী ঢাকার সব ওয়ার্ডে জমায়েত এবং দেশের সব জেলা ও মহানগরীতে জমায়েতের কর্মসূচি ঘোষণা করে। আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট যাঁরা নিহত হয়েছেন এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের স্মরণে সোমবার বেলা তিনটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধু ভবন পর্যন্ত শোক মিছিল করবে দলটি।রাজধানীর ধানমন্ডিতে শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শাহবাগে বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারীর অবস্থান, মিছিল আরও আসছে

শাহবাগে বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারীর অবস্থান, মিছিল আরও আসছে

 


রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন বিক্ষোভকারীরা। বেলা ১২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী ছিলেন। আরও মিছিল আসছিল। তাঁরা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে নানা স্লোগান দিচ্ছিলেন।

শাহবাগ থানার সামনে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। থানার সামনে বিক্ষোভকারীদের একাংশ সেখানে অবস্থান থানার দিকে কাউকে না যাওয়ার অনুরোধ করছেন। মিছিল অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে শাহবাগ এলাকায় বিক্ষোভকারীরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া দেন। সকাল সাড়ে ১০টার পরে তাঁরা পুরান ঢাকার দিক থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে আসেন।সে সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সামনের দিকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিচ্ছিলেন। তবে পুরান ঢাকার দিক থেকে আসা মিছিল থেকে তাঁদের ধাওয়া দেওয়া হয়। তাঁরা হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে যান। সেখান থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হচ্ছিল।

তখন বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের খুঁজতে থাকেন। এ সময় হাসপাতালের প্রাঙ্গণে থাকা প্রায় ২০টি গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স এবং ১৫টির মতো মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করা হয়। কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়।বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। তখন আবার তাঁরা ভাঙচুর শুরু করেন।

সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে যান বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। সেখানে বিক্ষোভে এক দফা দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। আরও বলা হয়, ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি আজ থেকে শুরু হয়েছে। কর্মসূচি পালন করতে সকালে শাহবাগ এলাকা দিয়ে দু-তিনজন করে বিক্ষোভকারী যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের মারধর করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা সংগঠিত হয়ে আসেন। বেলা ১২টার দিকে ওই এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের দেখা যায়নি।

পুরান ঢাকায় সিএমএম আদালতের সামনে পুলিশের গাড়িতে আগুন

পুরান ঢাকায় সিএমএম আদালতের সামনে পুলিশের গাড়িতে আগুন



 রাজধানীর পুরান ঢাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। সংঘর্ষ চলার মধ্যে পুরান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সামনে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।

সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আজ থেকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই কর্মসূচির মধ্যে আজ বেলা ১১টার পর এই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।সকাল ১০টার পর পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড় থেকে ভিক্টোরিয়া পার্ক পর্যন্ত পুরো এলাকাজুড়ে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল।সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

সংঘর্ষ শুরু হলে এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে হতাহতের কোনো খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

শাহবাগে আ’লীগের কর্মীরা, গাড়ি ভাঙচুর-আগুন

শাহবাগে আ’লীগের কর্মীরা, গাড়ি ভাঙচুর-আগুন

 


রাজধানীর শাহবাগে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা শুরু হয়।

সেখানে উপস্থিত বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সকালে শাহবাগ মোড়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সেখানে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা

শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা



 একের পর এক মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে সেখান থেকে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

আজ রোববার বেলা ১১টার দিকেই সরেজমিনে এই চিত্র দেখা গেছে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, এখানে ছাত্রলীগের কয়েকজন অবস্থান নিয়েছিল। এরপর আন্দোলনকারীরা এলে তারা সটকে পড়ে।

নিউমার্কেট এলাকার একাধিক গলিতে রাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে মহড়া

নিউমার্কেট এলাকার একাধিক গলিতে রাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে মহড়া

 

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বিপরীতে কয়েকটি ভবনের সামনে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কিছু যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে মহড়া দিয়েছেন। এ সময় কয়েকটি ভবনে ঢিল ছোড়া হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মহড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা প্রথম আলোকে বলেন, রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বিপরীতে থাকা বসুন্ধরা গলি থেকে ৩০-৩৫ জন তরুণ থেকে যুবক বয়সী ব্যক্তি বের হন। এরপর তাঁরা আশপাশের কয়েকটি গলির কয়েকটি বাসার ফটকে হামলা চালান।

পার্শ্ববর্তী লাটিমের গলির এক বাসিন্দা বলেন, হামলাকারীরা তাঁদের ভবনের বাইরের দুটো সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেছে। তাঁদের কয়েকজনের মাথায় হেলমেট ছিল। তাঁরা হারুন নামের বিএনপির এক নেতার খোঁজ করছিলেন। তাঁর অভিযোগ, হারুনকে নিচে নামিয়ে আনতে ভবনের প্রহরীকে শাসিয়েছেন যুবকেরা। তবে হারুন নামের ওই ব্যক্তি কিছুদিন আগে ওই ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।

বসুন্ধরা গলির এক বাসিন্দার করা ভিডিও প্রথম আলোর হাতে এসেছে। তাতে দেখা যায়, একদল যুবক ওই গলি দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের কারও হাতে লাঠি আবার কারও হাতে রড বা লোহার পাইপ জাতীয় কিছু। ওই বাসিন্দা প্রথম আলোকে জানান, ওই ব্যক্তিদের তিনি বলতে শুনেছেন ‘এখন বের হস না কেন ,এখন বের হ’—বলতে। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তিদের চলাফেরায় তাঁরা ভীত হয়ে পড়েন। এ সময় অনেক ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা ঘরের ভেতর ও বারান্দার বাতি বন্ধ করে দেন।

পুলিশের নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার মো. রেফাতুল ইসলাম রাত ১ টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানার বাসাসহ দুটি বাসা থেকে এমন অভিযোগ পেয়েছেন। এরপর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে কাউকে পাওয়া যায়নি। পুলিশ রুমিন ফারহানার সঙ্গেও কথা বলেছে। তিনি জানান, বাসার নিচ থেকে কিছু লোক ঢিল ছুড়েছে ও উচ্চবাচ্য করেছে। তবে পুলিশ কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা ইটপাটকেলের চিহ্ন পায়নি।