The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...
এইচএসসি ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে

এইচএসসি ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে


যশোর প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেন রাব্বিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ আগস্ট) তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামি আরাফাত হোসেন রাব্বি চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে যশোর জেলা ছাত্রদল। জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহ নেওয়াজ ইমরান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আরাফাত হোসেন রাব্বিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি ও সদস্যসচিব শাহ নেওয়াজ ইমরান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পরিচয়পত্র করে দেওয়ার কথা বলে অভিযুক্ত আরাফাত হোসেন রাব্বি ওই কলেজছাত্রীকে চৌগাছা শহরে নিয়ে যান। পরে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নিরিবিলিপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে ভুক্তভোগী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ ধর্ষণের মামলা রুজু করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার (১ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে আরাফাত হোসেন রাব্বিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালতে পাঠানো হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তসহ অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জামায়াতের এক এমপিকে ঘিরে ভিডিও ভাইরাল, তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি

জামায়াতের এক এমপিকে ঘিরে ভিডিও ভাইরাল, তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে আলোচনায় থাকা সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, ভিডিওতে দেখা তরুণী তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে পরিকল্পিতভাবে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক কক্ষে প্রবেশ করে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ অর্থ আদায় করে এবং পরে আরও টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সঙ্গে তার গাড়িচালক এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ জড়িত। পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি গোপনে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ করেন এমপি।

গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা নয়; বরং বৈধ দাম্পত্য জীবনের ব্যক্তিগত মুহূর্তকে অপপ্রচারের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, চলতি বছরের ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই মরিয়ম বেগমের সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ বিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের উপস্থিতিতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এদিকে, মঙ্গলবার সকালে জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি দলের নজরে এসেছে। এমপি তাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে।

অন্যদিকে, গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম পৃথক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, তাদের পারিবারিক সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে। তারা ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন এবং অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম।

উদ্ধারের পর ১০ ফুটের অজগরকে অবমুক্ত করা হলো সুন্দরবনে

উদ্ধারের পর ১০ ফুটের অজগরকে অবমুক্ত করা হলো সুন্দরবনে

 

বাগেরহাটের শরণখোলায় ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করা একটি অজগর সাপ সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলার লাকুড়তলা গ্রাম থেকে সাপটি উদ্ধার করেন সাপুড়ে শামছু তালুকদার।

সুন্দরবন থেকে খাবারের খোঁজে লোকালয়ে এসে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালে আটকা পড়েছিল অজগরটি। স্থানীয়রা জানান, লাকুড়তলা গ্রামের কৃষক মিলন তালুকদার আগের দিন বিকালে মাছ ধরার জন্য ধানক্ষেতে চায়না দুয়ারি জাল পেতে রেখেছিলেন। সকালে জাল তুলতে গিয়ে দেখেন জালে আটকে আছে বিশাল এক অজগর। এ সময় উদ্ধারকারী শামছু তালুকদারকে মোবাইল ফোনে খবর দিলে বৃষ্টির মধ্যে তিনি গিয়ে কৌশলে অজগরটি উদ্ধার করে। পরে সুন্দরবন বিভাগের কাছে অজগরটি হস্তান্তর করা হয়।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. খলিলুর রহমান জানান, ১০ ফুট লম্বা ও ৮ কেজি ওজনের এই অজগরটির কোন এক সময়ে খাবারের খোঁজে নদী সাঁতরে লোকালয়ে চয়ে যায়। ধানক্ষেতে পেতে রাখা চায়না দুয়ারি জালে আটকা পড়ে অজগরটি। উদ্ধারকারীরা সুন্দরবন বিভাগের কাছে নিয়ে আসার পরে অজগরটি শরণখোলা রেঞ্জ অফিসের পাশে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন