The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নতুন কূটনৈতিক কৌশল প্রধানমন্ত্রীর

Wednesday, July 08, 2026 The Future press
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নতুন কূটনৈতিক কৌশল প্রধানমন্ত্রীর


 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দ্বিপাক্ষিক ফ্রন্টে মিয়ানমারের মূল জান্তা সরকারের পাশাপাশি সকল পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের মূলভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাইকরণের কাজ নিয়মিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের তৃতীয় কোনো দেশে পুনর্বাসন বা প্রত্যাবাসনের কার্যক্রমও চলামান আছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের এমপি সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অত্যন্ত জটিল, সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক বিষয়। এর সমাধানের গতিপ্রকৃতি অনেকাংশেই নির্ভর করে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক চাপ এবং সর্বোপরি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর। রাখাইন রাজ্যে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে একটি কার্যকর সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষে আমরা সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সঙ্গে সংলাপ জোরদার করেছি। রোহিঙ্গাদের স্থায়ী নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাস্তবসম্মত ও স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে এই বিপুলসংখ্যক বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে সসম্মানে স্বদেশে ফেরত পাঠাতে বর্তমান সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধানের লক্ষে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক-সকল ফ্রন্টেই অত্যন্ত জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল আওয়ালের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বিরাজমান থাকায় ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার খোলার উদ্যোগসহ থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া থাইল্যান্ড সরকারের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। তাছাড়া, বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে সেদেশের চাহিদা নিরূপণপূর্বক জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রেরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, বন্ধ থাকিা মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সরকারদলীয় এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগের আমলে দেশের শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক পতনের কারণ উদঘাটনের লক্ষে বিভিন্ন সময় বিশেষজ্ঞ, বিনিয়োগকারী সংগঠন এবং বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

তিনি বলেন, শেয়ার মার্কেটের ধারাবাহিক পতন ঘটিয়ে হাজার হাজার বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করাসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের পরিকল্পনা আছে। ইতোমধ্যে শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারির অভিযোগ দুদক কর্তৃক অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা রয়েছে। যার প্রেক্ষিতে কতিপয় ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে মামলাসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারির সঙ্গে আরও অন্যান্য ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান জড়িত কিনা উদঘাটনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেয়ার মার্কেট কারসাজি, অনিয়ম ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া দায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণে গঠিত তদন্ত কমিটির গঠন ও প্রদত্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুদকে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শেয়ার মার্কেটের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাসহ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য বদ্ধপরিকর। সরকার ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, পণ্যের বৈচিত্রকরণের মাধ্যমে বাজারের গভীরতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসার ইত্যাদির মাধ্যমে উন্নত ও টেকসই পুঁজিবাজার গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

চট্টগ্রাম ও ঢাকা পুঁজিবাজারের বৈষম্য দূর করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি প্রযোজ্য। তিনি বলেন, কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকেও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিভিন্ন বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক অফারে গ্রাহকের টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ রয়েছে। সেখানে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম ও ঢাকা পুঁজিবাজারের বৈষম্য দূর করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি প্রযোজ্য।

তিনি বলেন, কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকেও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিভিন্ন বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক অফারে গ্রাহকের টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ রয়েছে। সেখানে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: আমার দেশ