The Future Press
ব্রেকিং নিউজ
লোড হচ্ছে...

৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন পুলিশ হেফাজতে

Wednesday, August 05, 2026 The Future press
৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধের পর শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন পুলিশ হেফাজতে

 

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংঘর্ষের পর চিকিৎসা নিতে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন নতুন ধারা বাংলাদেশের (এনডিবি) ছয় নেতা। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের নিরাপত্তার মধ্যে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, আহত নেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের হেফাজতে নেওয়া নেতারা হলেন—নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ড. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মণ্ডল এবং হরিদাস সরকার।

রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাব্বানী এবং শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন আহত ছয় নেতাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয় পক্ষের আহতরা চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে সেখানে আবারও উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ সময় ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

নতুন ধারা বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ মশাল ও প্রতিবাদ মিছিল চলাকালে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে চিকিৎসার জন্য ঢামেকে গেলে সেখানেও হামলার মুখে পড়েন এবং জরুরি বিভাগে আটকা পড়ে চিকিৎসা নিতে সমস্যায় পড়েন বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশ দাবি করেন, তাদের পক্ষের প্রতিবাদের জেরে নতুন ধারা বাংলাদেশের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। হাসপাতালেও তাদের ওপর হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে মঞ্চ-২৪-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী বলেন, বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে তারা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছেন।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সংঘর্ষের কারণ ও অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।