তুরাগ এলাকার নতুন বাজারের মুদি ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বলেন, বাজেটে কেবল কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সুবিধা পেতে কিছুদিন সময় লাগবে। নতুন আমদানিকৃত পণ্য বাজারে আসলে আশা করি, দাম কমে যাবে। এদিকে চাল, ডাল, আটার দাম বাড়লেও বাজারে বিভিন্ন সবজির দাম কমেছে। গতকাল বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং পটোল ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁকরোল, বেগুন, করলা, বরবটি, ঝিঙা ও চিচিঙ্গাসহ বেশির ভাগ সবজি ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মুরগির বাজারেও স্বস্তির চিত্র রয়েছে। প্রতি কেজিতে ১০ টাকা কমে বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায়। ডিমের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়।
তবে মাছের বাজারে স্বস্তি নেই। প্রতি কেজি পাঙ্গাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৭০ টাকা, রুই, কাতলা ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা , পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, কই ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল কাওরানবাজারে বাজার করতে আসা চাকরিজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, সরকার আগামী বাজেটে নিত্যপণ্যের দাম কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পণ্য আমদানিতে কর কমিয়েছে। কিন্তু বাজারে এখনো কোনো পণ্যের দাম কমেনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্যের দাম কমতে সময় লাগবে। অথচ, যদি বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানোর কথা বলা হতো, তাহলে ঠিকই সঙ্গে সঙ্গে সেই পণ্যের দাম বেড়ে যেত। ক্রেতাদের দাবি, সরকার যে ৬০টি পণ্যের উেস কর কমিয়েছে, তার সুফল যেন দ্রুত সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়। এজন্য বাজার মনিটরিং আরো জোরদার করারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।