ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে কু-পিয়ে হ-ত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি (হালিমা খানম): ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য মারুফা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাশার গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মারুফা সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের তাহের মিয়ার মেয়ে। প্রায় এক মাস আগে কুদ্দুস মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত স্বামী কুদ্দুস মিয়া একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি প্রায়ই নেশার টাকার জন্য মারুফাকে মারধর করতেন। গত রবিবার রাতেও কুদ্দুস তার স্ত্রীর কাছে নেশার টাকা চান। মারুফা টাকা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে কুদ্দুস তাকে মারধর করে। সোমবার সকালে ঘরের ভেতর মারুফার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে ঘরের ভেতর থেকে মোবাইল ফোনের রিংটোনের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকে মারুফার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।
পরে নিহতের পরিবার ও পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, নেশার টাকা না পেয়েই মাদকাসক্ত স্বামী কুদ্দুস তার স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
