প্রশাসনের সর্বত্র জামায়াত-আওয়ামী লীগ রয়েছে: পাপিয়া
প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া।
মঙ্গলবার রাতে একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
পাপিয়ার দাবি, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যেসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তার বড় একটি অংশ রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ছিল। তার অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে অনেকে চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় ও সংসদ সদস্যদের একটি অংশ নিয়োগ-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে জামায়াতের লোকজনও জায়গা করে নিয়েছেন। পাপিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনের প্রায় ৮০ শতাংশ পদে জামায়াতের লোক এবং ২০ শতাংশ পদে আওয়ামী লীগের লোকজন রয়েছেন। এ অবস্থায় প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তিনি দাবি করেন, দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ঘটনায় ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পাপিয়া রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের আরও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান। জনগণের কাছে নেতিবাচক বার্তা যায়—এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্যও তিনি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তবে প্রশাসনে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজনের উপস্থিতি এবং নিয়োগ-বাণিজ্য নিয়ে পাপিয়ার করা অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: দৈনিক আমার দেশ