এক মাসের মধ্যে রামিসার বিচার হবে—প্রতিশ্রুতির পর পেরিয়েছে কত দিন, রায় হলেও কার্যকর হবে কবে?”
গত ২৩ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসা হত্যার ঘটনায় কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের কথা উল্লেখ করেন।
এরপর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়। ১ জুন দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই মামলাটির রায় ঘোষণার পর্যায়ে পৌঁছে আদালত।
৭ জুন শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রীও জানান, মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন করে এই রায় দেওয়া হয়েছে।
তবে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা হওয়া আর তা কার্যকর হওয়া এক বিষয় নয়। বিচারিক আদালতের রায়ের পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ডেথ রেফারেন্স, আপিলসহ নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। আইনমন্ত্রীও জানিয়েছিলেন, এসব প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হবে।
ফলে রামিসা হত্যা মামলায় এক মাসের মধ্যে বিচারিক রায় ও সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ এলেও, মৃত্যুদণ্ড এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এখন প্রশ্ন উঠেছে—প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতির ‘শাস্তি নিশ্চিত’ করার বিষয়টি কবে বাস্তবে কার্যকর হবে।
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় শুরু থেকেই দ্রুত বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্বজন ও সাধারণ মানুষ। আদালতের রায়ের পরও এখন তাদের অপেক্ষা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার।