The National Press
সর্বশেষ
লোড হচ্ছে...

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলার আশঙ্কা—রয়টার্স।

Thursday, January 15, 2026 The National Press
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলার আশঙ্কা—রয়টার্স।

 


মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ থমথমে। যেকোনো সময় বড় কিছু ঘটতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যেকোনো মুহূর্তে ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। 

গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানাচ্ছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই আক্রমণ শুরু হতে পারে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন। বিশেষ করে ইরানে চলমান গণবিক্ষোভ দমনে সরকারের কড়াকড়ির প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সরাসরি বিক্ষোভকারীদের পক্ষ নিয়ে সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ইরানকে খুব বড় মূল্য দিতে হবে এবং মার্কিন সাহায্য খুব শীঘ্রই সেখানে পৌঁছাবে।

ইতোমধ্যেই উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক শক্তিতে বড় ধরনের রদবদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কাতারসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইরান পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, তাদের ওপর হামলা হলে ওই অঞ্চলে থাকা সমস্ত মার্কিন ঘাঁটি এবং মিত্র দেশগুলোর ওপর ভয়াবহ প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তেহরান সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা তুরস্কের মাটি ব্যবহার করে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়, তবে সেসব দেশও ইরানি মিসাইলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধ চান না তবে যুদ্ধের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বিবৃতি। বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে তিনি তাদের সরকারি দপ্তরগুলো দখলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও বুধবার রাতে ট্রাম্প কিছুটা নমনীয় সুর দেখিয়ে দাবি করেছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা বন্ধ হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন, তবুও সামরিক হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক মহল। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প ইতোমধ্যে হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এবং এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন প্রশাসনকে সংযত থাকার এবং সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আসছে।