নানা কারণে নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই আলোচিত ছিল ঢাকা-৮ আসন। এই আসনে বারবার আলোচনায় এসেছেন ১১-দলীয় জোট সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী। আসনটিতে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।বিবিসি বাংলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পর্যন্ত এই আসনে আলোচিত এই দুই প্রার্থীর কেউই অনিয়ম বা কারচুপির বড় কোনো অভিযোগ তোলেননি। ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন ভোটাররাও। তরুণদের অনেককেই ভোটকেন্দ্রের বাইরে সেলফি তুলতে দেখা গেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে আড্ডায় মেতেছেন অনেকে।
বিবিসি বাংলার বিশ্লেষণে, দুপুর পর্যন্ত মোটামুটি উৎসবমুখর পরিবেশেই ভোট হয়েছে এই আসনে। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আসনটিতে দুপুর একটা পর্যন্ত ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে।
অবশ্য দুপুরের পর এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর এজেন্টদের বিএনপির নেতাকর্মীরা মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রে যেতে বাধা দিয়েছে।
একটি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, তাঁর সমর্থকদের রেলওয়ে কলোনি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করে বের হওয়ার পথে ‘আঘাত’ করা হয়।
পাটওয়ারী বলেন, ‘আমাদের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আছে দুইটা—রেলওয়ে কলোনি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র ও মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্র। সেখানে ভোট ডাকাতির মহোৎসব চলছে। তারা আমাদের গায়ে পড়ে মারামারি করে ঢাকা-৮ আসনের ভোট বানচাল করতে চাচ্ছে।’
এ সময় মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘এখন সময় প্রতিরোধের। যদি ভোট ডাকাতি হয়, তাহলে মির্জা আব্বাসের যে রাজত্ব আছে, আল্লাহর কসম করে বলছি, সেই রাজত্ব আমরা খানখান করে দেব। তছনছ করে দেব। নির্বাচনে জয়ী হই বা না হই, বিএনপি নামক দলটিকে বাংলাদেশ থেকে আমরা নিশ্চিহ্ন করে দেব।’
No comments:
Post a Comment